প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গত ১৬ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে শেরপুর জেলার সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের চরসাপমারী গ্রামে তিন সন্তানের জননী রুফিয়া বেগম (৩৫) কে ভাসুরের ছেলে (ভাতিজা) নেশাগ্রস্ত যুবক আরিফ হোসেন নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করে।
রুফিয়া বেগম তার বাড়ির উঠানে তার কোলে থাকা ছোট শিশু চার মাস বয়সের আব্দুল্লাহকে চেয়ারে বসে দুধ খাওয়াচ্ছিলেন। আব্দুল্লাহর চাচা আরিফ হোসেন মাদকাসক্ত ছিল। সে কারণে পারিবারিক তুচ্ছ বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে ছোট্ট শিশু আব্দুল্লাহর সামনে তার মাকে গলায় ছুরি চালিয়ে জবাই করে হত্যা করেন চাচা আরিফ হোসেন।
এ ঘটনায় পরে তাকে শেরপুর সদর থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠায়।
এদিকে আব্দুল্লাহ তার মাকে হারিয়ে এবং তার হতদরিদ্র বাবা তাকে নিয়ে অসহায়ত্ব প্রকাশ করছিল। একই সাথে আর্থিক দৈন্যতায়ও ছিলেন আব্দুল্লাহর বাবা রিকশাচালক লাল মিয়া।
এমত অবস্থায় ১৪ অক্টোবর বুধবার শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের গণশুনানিতে আব্দুল্লাহকে নিয়ে আসেন তার বাবা ও চাচি। এ সময় জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহকে কোলে নিয়ে আদর করেন এবং বেশ কিছুক্ষণ খুনসুটি করেন মাতৃহারা আব্দুল্লাহকে নিয়ে। এ সময় আব্দুল্লাহর ভরণপোষণের জন্য আর্থিক সহায়তা এবং কিছু কাপড়-চোপড় কিনে দেন জেলা প্রশাসক।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, চার মাস বয়সের এই শিশু আব্দুল্লাহ তার মায়ের কোলে থাকা অবস্থায় নৃশংসভাবে তার মাকে কুপিয়ে হত্যা করার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক এবং মর্মান্তিক। এই অসহায় আব্দুল্লাহর বাবা দরিদ্র রিকশাচালক বিধায় তার ভবিষ্যৎ ভরণ পোষণে আমি সহযোগিতা করে যাব।
এদিকে শিশু আব্দুল্লাহকে জেলা প্রশাসক আর্থিক অনুদান সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে খুশি আব্দুল্লাহর বাবা লাল মিয়া।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন