প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর অসন্তুষ্ট হয়ে পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের জন্য এ পর্যন্ত ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮২ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। তারা মোট ১০ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৭টি উত্তরপত্র (বিষয়) পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়ন করার জন্য আবেদন করেছেন।
পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, শনিবার পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের আবেদনের শেষ সময় ছিল। তবে, কারিগরি সমস্যার কারণে আবেদন কার্যক্রম শেষ মুহূর্তে বিঘ্নিত হওয়ায় সময়সীমা বাড়িয়ে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই বিষয়ে শনিবার রাতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানু স্বাক্ষরিত এক জরুরি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর পরীক্ষার্থী, অভিভাবক, প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সংশ্লিষ্ট সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, কারিগরি (অনলাইনে) ত্রুটির কারণে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের আবেদন প্রক্রিয়া ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বিঘ্নিত হয়। ফলে, অনেক পরীক্ষার্থী ওই সময়ে আবেদন করতে পারেননি। পরীক্ষার্থীদের ওই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের আবেদনের শেষ সময় ৭ নভেম্বর রাত ১২টার পরিবর্তে ৮ তারিখ দুপুর ১২টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
সূত্রমতে, গত ৩১ অক্টোবর প্রকাশিত এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে বড় ধরনের অবনতি দেখা গেছে। এবারের পরীক্ষায় ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন পাস করেছেন। গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। অর্থাৎ, এবারে প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেননি।
এদিকে, নতুন নিয়ম অনুযায়ী ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা খাতা পুনর্নিরীক্ষণের পাশাপাশি পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদনের সুযোগ পাচ্ছেন। গত ১ নভেম্বর থেকে এই আবেদন গ্রহণ করা শুরু হয়েছে। ফল পরিবর্তনের আশায় সংশ্লিষ্টরা এই আবেদন করছেন।
এর আগে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নে বিপুলসংখ্যক পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছিল। ওই সময় নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৩ হাজার ৭৯ শিক্ষার্থী। আর ফেল থেকে পাস করেছে ৪ হাজার ৮৫ জন। গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের। নম্বর পরিবর্তন হয়েছে ৫৬ হাজার ২৫৯ জনের।
এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪ লাখ ২ হাজার ৫২ জন খাতা পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করেছিলেন।
এমই
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন