প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কীর্তনখোলায় স্পিডবোট দুর্ঘটনার পর দুই দিন অতিবাহিত হওয়ার পর চালক এবং দুই যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার সকালে নদীর মধ্যে ভাসমান অবস্থায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বরিশাল সদর নৌ-থানার ওসি সনাতন চন্দ্র সরকার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী স্থান থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সুরতহাল সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া মরদেহের মধ্যে একজন স্পিডবোট চালক আল আমিন (২৩) রয়েছেন। অন্য দুই যাত্রী ইমরান হোসেন ইমন (২৯) এবং রাসেল আমিন (২৪) হিসেবে স্বজনরা শনাক্ত করেছেন।
চালক আল আমিন ভোলা সদরের ভেদুরিয়ার উত্তর চর এলাকার মো. সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে।
যাত্রী ইমরান হোসেন ইমন ভোলা সদরের ধনিয়া এলাকার শাহাবুদ্দিনের ছেলে এবং রাসেল আমিন পটুয়াখালী কলাপাড়া উপজেলার নেওয়াপাড়া এলাকার আজগর আলী হাওলাদারের ছেলে।
ওসি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ওই দুর্ঘটনার পর চারজন নিখোঁজের খবর পাওয়া গিয়েছিল। তিনজনের মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর, এখনও বরিশালের বাবুগঞ্জের রহমতপুর এলাকার দুলাল দাসের ছেলে সজল দাস (৩০) নিখোঁজ রয়েছেন বলে তার স্বজনরা দাবি করছেন।
এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা এখন চারজনে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পূর্বে কীর্তনখোলা নদীর লাহারহাট খালের প্রবেশমুখে জনতার হাট এলাকায় ভোলা থেকে বরিশালগামী যাত্রীবাহী স্পিডবোটের সঙ্গে বাল্কহেডের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে, যার ফলে যাত্রীসহ স্পিডবোটটি ডুবে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই নদী থেকে উদ্ধার করা জালিস মাহমুদ (৫০) নামের এক যাত্রীর মৃত্যু হয়।
এছাড়াও মানসুর আহমেদ নামে ভোলার দৌলতখান থানার কনস্টেবল আহত হন। অন্য যাত্রীরা সাতরিয়ে তীরে উঠতে সক্ষম হন।
দুর্ঘটনার পর নৌ-পুলিশের সদস্য বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার সূত্র ধরে বাল্কহেডের চালককে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন