প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বরিশাল নগরীতে মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অপরাধমূলক তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে আকস্মিক চেকপোস্ট ও সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। বুধবার (২৮ অক্টোবর) নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ডিবির বিশেষ আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশের এ অভিযানের মূল লক্ষ্য মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা। অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি জোরদার এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এ ধরনের আকস্মিক অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিএমপি মিডিয়া সেলের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ডিবির বিশেষ আভিযানিক দল চেকপোস্ট স্থাপন ও সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে। মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিরসনে মহানগর পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের অভিযানও অব্যাহত রয়েছে।
নগরীতে মাদকদ্রব্যের বিস্তার, কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং সন্ত্রাসী তৎপরতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। এসব অপরাধ প্রতিরোধে অপরাধপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে নজরদারি বৃদ্ধি, সন্দেহজনক তৎপরতা পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিএমপি ডিবির আকস্মিক চেকপোস্ট ও সাঁড়াশি অভিযানকে নগরীর অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ ধরনের অভিযানের মাধ্যমে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড শনাক্ত করা এবং অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার প্রচেষ্টা জোরদার করা সম্ভব।
বিশেষ করে মাদক ব্যবসা ও কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধমূলক তৎপরতা প্রতিরোধে পুলিশের নিয়মিত নজরদারির পাশাপাশি সমন্বিত অভিযান অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে বিএমপি মিডিয়া সেলের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিএমপি মিডিয়া সেল জানিয়েছে, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিরসনে বরিশাল মহানগর পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের অভিযান চলমান রয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও নগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
তবে ২৮ অক্টোবরের অভিযানে কতজনকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে, কোনো মাদকদ্রব্য কিংবা অবৈধ সরঞ্জাম উদ্ধার হয়েছে কি না—সে বিষয়ে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানানো হয়নি।
এ অভিযানে অংশ নেওয়া ইউনিটটি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (বিএমপি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন