প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান মন্তব্য করেছেন, তারেক রহমান বাংলাদেশে তৃণমূলের রাজনীতির সূচনা করেছেন। ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি সারা দেশের হাটে-মাঠে গিয়ে তরুণ সমাজকে সংগঠিত করেছেন। এর ফলস্বরূপ আজকের বিএনপি রূপান্তরিত হয়েছে।
আজ বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার ও জাতীয়তাবাদী প্রকাশনা সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬’-এর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সম্পর্কে বলেন, তিনি ছিলেন তিনটি গুণের ধারক ও বাহক— শৃঙ্খলা, সততা ও জনগণের সেবা। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যদি সাহস করে স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন, তবে এই বাংলাদেশ স্বাধীন হতো কি না— তা নিয়ে তার সন্দেহ রয়েছে। সেই জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদের ধারক-বাহক হিসেবে তারা মানুষের সেবা করে যাবেন।
বইয়ের ইতিহাস নিয়ে মন্ত্রী বলেন, বইয়ের ইতিহাস খুঁজতে গেলে আমাদের ফিরে যেতে হবে খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ সালে। তখন সর্বপ্রথম পাথর ও কাদার উপর লেখার সৃষ্টি হয়েছিল। সেটিই ছিল বইয়ের সৃষ্টির ইতিহাস। এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ে বই আসে খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ সালে। মিশর, চীন ও রোম— এই তিন স্থানে বইয়ের রূপান্তর ঘটেছিল। তখন বইয়ের যে রূপ ছিল সেটিকে বলা হয় স্ক্রল। তৃতীয় পর্যায়ের যে বই আমরা দেখি সেটাকে বলা হয় কোডেক্স।
তিনি আরও বলেন, আজকের দিনের বইয়ের ধারণা রোম থেকে সৃষ্টি হয়েছে। বইয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রূপান্তর ঘটেছে জার্মানীতে, যেখানে ১৪৪০ সালে ছাপাখানার সৃষ্টি হয়েছিল। এটি প্রাচীন বইয়ের ইতিহাস। এরপর এসেছে ই-বুক এর ধারণা।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, যারা নেতৃত্ব দেবেন তাদের নতুন প্রজন্মকে সঠিকভাবে পরিচালিত করতে হবে। নতুন প্রযুক্তির কারণে অনেক বুকশপ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী বলেন, লাইব্রেরি হলো জ্ঞানের সম্ভার। সেই কারণে মঙ্গলরা যখন কোন অঞ্চল জয় করতো, তারা সেখানকার সভ্যতা ধ্বংস করার জন্য লাইব্রেরি পুড়িয়ে দিত। মানব সমাজে বইয়ের গুরুত্ব এই ইতিহাস থেকে অনুধাবন করা যাবে।
ড. আবদুল মঈন খান আরও বলেন, পড়ার চর্চা যদি হারিয়ে ফেলা যায় না। লেখাপড়া ব্যতীত কোন জাতি গৌরব অর্জন করতে পারে না। এই সত্য প্রতিটি মানুষকে বুঝতে হবে।
জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সৈয়দা ফাতেমা সালামের সভাপতিত্বে ও ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ও সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী প্রমুখ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন