প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাবনার ভাঙ্গুড়া ও চাটমোহর এলাকায় ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রা বিরতি বৃদ্ধির পাশাপাশি আসন সংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা।
বুধবার তিনি জাতীয় সংসদে এই দাবি উত্থাপন করেন।
তিনি মন্তব্য করেন, এই দাবি বাস্তবায়িত হলে ভাঙ্গুড়া, চাটমোহর এবং আশপাশের এলাকায় বসবাসকারী মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে।
এখন জানা যাচ্ছে, ব্রিটিশ আমল থেকে যখন ট্রেনে যাত্রী পরিবহন করা হয়, তখন ভাঙ্গুড়া উপজেলার বড়াল ব্রিজ ও চাটমোহর রেলস্টেশন অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ঢাকা যাতায়াতের জন্য জেলার ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর ও চাটমোহরের আংশিক এলাকার জনগণ বড়াল ব্রিজ স্টেশন ব্যবহার করে। অন্যদিকে, পাবনা জেলা সদর, আটঘরিয়া ও চাটমোহরের যাত্রীরা চাটমোহর স্টেশন ব্যবহার করেন।
বর্তমানে এই দুটি স্টেশনে ঢাকাগামী পাঁচটি ট্রেনের যাত্রা বিরতি হয়। বড়াল ব্রিজ স্টেশনে যাতায়াত করা পাঁচটি ট্রেনে প্রায় ১৮০টি ও চাটমোহর স্টেশনেও প্রায় ২৮০টি আসন বরাদ্দ রয়েছে। কিন্তু প্রতিদিন দুই স্টেশনে বরাদ্দের চেয়ে চার থেকে পাঁচ গুণ যাত্রী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্টেশনে যাতায়াত করেন। এর ফলে বেশিরভাগ যাত্রীকে আসন বিহীন টিকিটে যাত্রা করতে বাধ্য হতে হয়।
এতে যাত্রীদের জন্য ভোগান্তি এবং সীমাহীন কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। এই বিষয়টি বিবেচনা করে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা এই রুটে ঢাকাগামী সব ট্রেনের যাত্রা বিরতি ও অধিক আসন বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য জানান, কৃষি, শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্যে চাটমোহর ও ভাঙ্গুড়া উপজেলার অনেক গুরুত্ব রয়েছে। এই কারণে এই এলাকার মানুষকে নিয়মিত ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে যাতায়াত করতে হয়। ট্রেন পথে এই অঞলের মানুষের ঢাকা যাতায়াতের জন্য প্রধান ও সাশ্রয়ী মাধ্যম।
তবে ট্রেনে আসন সংখ্যা সীমিত থাকার কারণে এ অঞ্চলের মানুষকে ভোগান্তি সহ্য করতে হচ্ছে। তাই তিনি এই রুটের সব ট্রেনের যাত্রা বিরতি ও আসন বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
ভাঙ্গুড়া বাজারের বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, যাত্রীদের চাপের কারণে বড়াল ব্রিজ স্টেশনে ট্রেনের টিকিটের সংখ্যা কম। ফলে অনলাইনে টিকিট বরাদ্দের সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হয়ে যায়। এতে অধিকাংশ যাত্রীকে দাঁড়িয়ে ট্রেনে যাতায়াত করতে হয়, যা অত্যন্ত কষ্টকর। তাই সংসদ সদস্যের এই দাবিকে সাধুবাদ জানাই।
বড়াল ব্রিজ স্টেশনের ইনচার্জ শফিউল ইসলাম বলেন, এই স্টেশনে আসন বরাদ্দের চেয়ে যাত্রীর চাপ অনেক বেশি। সেজন্যে সংসদ সদস্যের এই দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক এবং জনকল্যাণকর। তাই এটি বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন