প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় আলোচিত শিশু নিছামনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পরে নদীতে ফেলে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণা করেছে আদালত। রায়ে জানতে পারা গেছে যে, তিনজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। একই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকা এক কিশোর আসামিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সুদীপ্তা সরকার প্রাপ্তবয়স্ক আসামি আরিফ, রাকিব এবং সাইমের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রদান করেছেন। সেই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে অর্থদণ্ড হিসেবে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ঘটনার সময় অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় আসামি মারুফের বিচার আলাদা করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় চার আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট বজলুল করিম চৌধুরী রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ রায়ের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন সরকার। তিনি জানান, রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
অন্যদিকে, রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত নিছামনির বাবা-মা। একই সঙ্গে তারা দ্রুত রায় কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৪ জুন বিকেলে ধোবাউড়া উপজেলায় শিশু নিছামনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পরে নদীতে ফেলে হত্যা করা হয়। পরদিন তার বাবা বাদী হয়ে ধোবাউড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ঘটনার মাত্র নয় দিনের মাথায় ২৩ জুন চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। পরবর্তীতে দ্রুত বিচার কার্যক্রম শেষে উভয় পক্ষের শুনানি গ্রহণের পর ঘটনার ২৫ দিনের মাথায় আদালত এ রায় ঘোষণা করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন