প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নতুন বছর শুরু হতে তিন মাসেরও বেশি সময় বাকি রয়েছে। তবে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের দৃষ্টি ২০২৭ সালের ক্যালেন্ডারের দিকে। পবিত্র রমজান কবে শুরু হবে, তা নিয়ে কৌতূহলের অন্ত নেই। বর্তমান জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি। এই হিসাব অনুযায়ী, রমজান মাস আসতে আর ১৫০ দিনেরও কম সময় বাকি রয়েছে। তবে চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে রমজানের নতুন চাঁদ দেখার ওপর।
সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানাচ্ছে, গত শনিবার ১৪৪৮ হিজরি সনের রবিউস সানি মাস শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে রমজান শুরুর অপেক্ষা এখন শেষ পাঁচ চন্দ্রমাসে এসে পৌঁছেছে। ধারণা করা হচ্ছে, পবিত্র মাসটি শুরু হতে আর ১৪৬ দিন বাকি রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রবিউস সানি মাসের চতুর্থ দিন। বর্তমান জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি)। তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে রমজান শুরুর চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হবে।
গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের একই তারিখে পরপর দুই বছর রমজান শুরু হয় না। কারণ ইসলামি ক্যালেন্ডারে মাসের হিসাব চাঁদ দেখে করা হয়। ইসলামি বছর ৩৫৪ দিনের, যা গ্রেগরিয়ান বছরের চেয়ে প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন কম। এই কারণে প্রতিবছর রমজান আগের বছরের তুলনায় কিছুটা আগে শুরু হয়।
এভাবে প্রতি বছর রমজানের তারিখ প্রায় ১০-১১ দিন করে এগিয়ে আসে। ফলে প্রায় ৩৩ বছরের মধ্যে বছরের সব ঋতুতেই মুসলমানরা রমজান পালনের সুযোগ পান।
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি, রোববার সন্ধ্যায় রমজানের নতুন চাঁদ দেখার চেষ্টা করা হবে। ওইদিন সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা গেলে সেদিন রাতেই প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করা হবে এবং পরদিন সকালে মুসলমানরা রোজা রাখা শুরু করবেন।
চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে রমজান মাস ২৯ অথবা ৩০ দিন হতে পারে। এরপর শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেলে ঈদুল ফিতর পালিত হবে। ২০২৭ সালের ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ধরা হচ্ছে বুধবার, ১০ মার্চ। তবে চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করবে নতুন চাঁদ দেখার ওপর।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, পবিত্র রমজান ইসলামি ক্যালেন্ডারের নবম মাস। মুসলমানদের কাছে এটি বছরের সবচেয়ে পবিত্র সময় হিসেবে বিবেচিত। এই মাসেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর পবিত্র কোরআনের প্রথম আয়াত নাজিল হয়েছিল।
রমজান মাসজুড়ে মুসলমানরা ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থেকে রোজা পালন করেন। এ সময় নামাজ, দান-সদকা, আত্মসংযম, পরিবার ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালনের ওপরও বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন