প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকুন্দিয়া উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদে মাছেরপোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুটি ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। ছবিটি কালের কণ্ঠের।
এটি আঞ্চলিক বৈষম্য নিরসনের জন্য এবং পাকুন্দিয়া ও গফরগাঁও উপজেলাসহ বিভিন্ন অঞ্চলের জনগণের নির্বিঘ্নে চলাচলের সুবিধার্থে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। পাকুন্দিয়া উপজেলার মুনিয়ারীকান্দা হতে গফরগাঁও উপজেলার দত্তের বাজার পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদে একটি ব্রিজ নির্মাণের পাশাপাশি পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর বাজার থেকে পাগলা থানার টাংগাবর পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর দুটি ব্রিজ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার-১ ও সদস্য সচিব (মাননীয় সংসদ সদস্যদের প্রতিশ্রুত ও প্রত্যাশিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন সমন্বয় সেল) মো. উজ্জল হোসেন সাক্ষরিত এক পত্রে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে।
পত্রে উল্লেখ করা হয়, গত ১৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রী সরকারি সফরের অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জ জেলা সফর করেন। সফরের সময় পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় অনুষ্ঠিত একটি জনসভায় প্রধানমন্ত্রী পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মুনিয়ারীকান্দা হতে দত্তের বাজার পর্যন্ত সেতু এবং মির্জাপুর হতে টাংগাবর পর্যন্ত ব্রিজ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবালয়কে সম্ভাব্যতা যাচাইসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেয়।
এ বিষয়ে অগ্রগতির প্রতিবেদন দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠাতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, প্রধান প্রকৌশলী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদেরও অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত দুটি সেতু বাস্তবায়িত হলে পাকুন্দিয়া ও গফরগাঁও উপজেলাসহ আশেপাশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। একইসাথে দুই উপজেলার মধ্যে পণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং দুই উপজেলায় উৎপাদিত পণ্য সামগ্রীর পরিবহণেও সুবিধা হবে। এছাড়া এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি, শিল্প এবং সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের উপর এটির ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে স্থানীয়দের আশা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন