প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের চণ্ডীগড়ের একটি জেলা আদালত সালমান খান, তার বোন আলভিরা খান অগ্নিহোত্রী এবং ‘স্টাইল অ্যান্ড কন্টেন্ট জুয়েলারি প্রাইভেট লিমিটেড’-এর পরিচালকদেরকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে। ভিন্ন ভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে সালমান খানের ব্র্যান্ড ‘বীইং হিউম্যান’-এর একটি জুয়েলারি শোরুমকে কেন্দ্র করে কোটি কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ জানানো হয়েছে।
আদালত সালমান খানসহ মামলার সব অভিযুক্তদের আগামী ৫ অক্টোবর স্বশরীরে আদালতে হাজির হয়ে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেয়। মামলাটি শুরু হয় চণ্ডীগড়ের ব্যবসায়ী অরুণ গুপ্তের দায়ের করা একটি অভিযোগ থেকে, যেখানে তার দাবি, ‘বীইং হিউম্যান’ ব্র্যান্ডের জুয়েলারি শোরুম খোলার জন্য তাকে লাভজনক ব্যবসার মিথ্যা আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।
অরুণ গুপ্ত জানান, তিনি চণ্ডীগড়ের মণিমাজরায় শোরুম তৈরিতে ১ কোটি টাকাসহ মোট প্রায় ৩ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন। তার অভিযোগ অনুযায়ী, চুক্তির সব শর্ত পালন করার পরও কোম্পানিটি তাকে প্রতিশ্রুত কোনো ব্যবসায়িক সহায়তা দেয়নি। এমনকি গহনা সরবরাহের দায়িত্বে থাকা মূল কেন্দ্র ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তার জুয়েলারির মজুদ শেষ হয়ে যায় এবং তিনি অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হন। অরুণ গুপ্তের দাবি, কোম্পানির সাথে যুক্ত ৬ জন ব্যক্তি তাকে ভুল তথ্য দিয়ে প্রতারণামূলকভাবে বিনিয়োগ করিয়েছেন।
তবে অভিযোগটি শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছে সংশ্লিষ্ট জুয়েলারি কোম্পানিটি। তাদের বক্তব্য হল, ২০১৮ সালের এই ব্যবসায়িক চুক্তির সাথে সালমান খানের সরাসরি কোনও সম্পর্ক ছিল না। তারা জানান, ২০১৫ সালে ‘সালমান খান ফাউন্ডেশন’ থেকে শুধুমাত্র ‘বীইং হিউম্যান’ নামটি ব্যবহারের অনুমোদন (লাইসেন্স) নেওয়া হয়েছিল। এই কারণে গহনা তৈরি, বিপণন এবং বিক্রির সমস্ত দায় পুরোপুরি কোম্পানির, যেখানে সালমান খান বা তার পরিবারের কোনও ভূমিকা নেই।
বর্তমানে আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে আগামী ৫ অক্টোবর শুনানির দিন ধার্য করেছে, এবং সব পক্ষকে নিজেদের বক্তব্য জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন