প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বলিউডের অভিনেত্রী সারা আলী খানের জীবনে ২০২০ সালে একটি কঠিন সময় উপস্থিত হয়েছিল। অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর মাদকসংক্রান্ত তদন্তে তার নাম জড়িয়েছিল। সেই সময় সারার পাশে ছিলেন তার দীর্ঘদিনের বন্ধু ওরহান আওয়াতরামানি, যিনি ওরি নামে পরিচিত। তবে, বন্ধুর বিপদের সময়ে পাশে থাকলেও নিজের কঠিন পরিস্থিতিতে সারার কাছ থেকে সামান্য সহানুভূতি পাননি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এই অভিমান থেকেই সারা ও তার মা অমৃতা সিংহের সঙ্গে বন্ধুত্ব ভেঙে দিয়েছেন এই ইনফ্লুয়েন্সার।
সম্প্রতি, অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়া ও অঙ্গদ বেদীর অনুষ্ঠানে ‘ডাবল ডেট’-এ অতিথি হয়ে এসে এসব কথা জানান ওরি। অনুষ্ঠানে সামাজিক মাধ্যমে কাছের কোনো ব্যক্তিকে আনফলো করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে এক মুহূর্তও না ভেবে সারা ও তার মায়ের নাম উল্লেখ করেন তিনি।
ওরি বলেন, “আমি এ বিষয়ে খুব খোলাখুলিই বলি। সারার মা আমাকে খুব বকেছিলেন। তাই তাকেও অনুসরণ করা বন্ধ করে দিয়েছি।”
সারার সঙ্গে ছোটবেলা থেকেই বন্ধুত্ব ওরির। কলেজজীবনেও তাদের যোগাযোগ ছিল। প্রায় এক দশকের এই বন্ধুত্বে সারার জীবনের কঠিন সময়গুলোতে সব সময় পাশে ছিলেন তিনি। কিন্তু নিজের বিপদের সময়ে অভিনেত্রীকে পাশে পাননি। আর সেই অভিমান থেকেই বন্ধুত্ব ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান ওরি।
২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মাদকসংক্রান্ত তদন্তে নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) সারাকে তলব করেছিল। সেই সময়ে সারা গোয়ায় ছুটি কাটাচ্ছিলেন। ওই কঠিন পরিস্থিতিতেও তার পাশে ছিলেন বলে জানান ওরি।
তিনি বলেন, “আমরা তখন গোয়ায় ছিলাম। ও যখন এত বড় মামলায় জড়িয়ে পড়েছিল, আমি ওর সঙ্গে ছিলাম। কখনো ওর সঙ্গ ছাড়িনি।”
তবে পরবর্তী সময়ে নিজের জীবনের কঠিনতম পরিস্থিতিতে সারা আলী খানের কাছ থেকে সামান্য সহানুভূতি পাননি বলে অভিযোগ করেন ওরি। তিনি বলেন, একবারও ফোন করে তার খোঁজ নেননি অভিনেত্রী। জীবনে একবার তার পাশে সারার থাকার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু তখনই তিনি উধাও হয়ে যান।
ওরির ভাষায়, “এত খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম, অথচ একবারও ফোন করল না। একবারও জানতে চাইল না, আমি কেমন আছি।”
এ ঘটনায় যে তিনি গভীরভাবে আঘাত পেয়েছিলেন, তাও জানিয়েছেন ওরি। তিনি বলেন, “সারা যখন কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, তখন অনেকেই আমাকে ওর সঙ্গ ছেড়ে দিতে বলেছিল। কিন্তু আমি ওর পাশে ছিলাম। ওর মায়ের পাশেও দাঁড়িয়েছিলাম। আর যখন আমার পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজন হলো, তখন ও একটা ফোনও করতে পারল না।”
ওরি আরও জানান, চলতি বছরের গোড়ায় সারা আলী খানের সঙ্গে তার কথা হয়েছিল। সেই সময়ে অভিনেত্রীকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পুরনো সম্পর্ক আর জোড়া লাগানো সম্ভব নয়। তবে এতকিছুর পরও সারা তার কাছে ক্ষমা চাননি বলেও দাবি করেন ওরি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন