প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের ভেঙে পড়ার পরিবর্তে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, পরীক্ষা জীবনের চূড়ান্ত পরিমাপক নয়। অকৃতকার্যদের পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি বিশেষ বার্তায় শিক্ষামন্ত্রী এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষামন্ত্রী লেখেন, ফলাফল আশানুরূপ না হওয়া খুবই বেদনার ও হতাশার বিষয়। কিন্তু অকৃতকার্য হওয়া মানে জীবনের গল্প শেষ হয়ে যাওয়া নয়। আজকের ফল কারও মূল পরিচয় হতে পারে না, এটি পরীক্ষার নির্দিষ্ট কিছু ঘণ্টার একটি হিসাব মাত্র। কোনো মানুষের পরিশ্রম ও স্বপ্নের নির্দিষ্ট নম্বর হয় না।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, অকৃতকার্য হওয়ার পর সামাজিক নানা চাপ এবং সহপাঠীদের উপেক্ষা সামলানো খুব কঠিন। তবে এই স্থবিরতা সাময়িক। ভবিষ্যতে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সফল হলে, আজকের কষ্টের দিনগুলো মনে করে শিক্ষার্থীরা হয়তো হাসবে। তরুণদের হতাশা কাটিয়ে উঠে দেশ গঠনের কাজে মনোযোগী হওয়ার প্রতি তিনি তাগিদ দেন।
অভিভাবকদের উদ্দেশ্য শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, অকৃতকার্য শিক্ষার্থী বর্তমানে নিজের পরিবারে মুখোমুখি হতে খুবই ভয় পায়। এই কঠিন সময়ে সন্তানকে বকাঝকা বা ভর্ৎসনা না করে, স্নেহের ছায়ায় আগলে রাখা উচিত। তিনি অভিভাবকদের অনুরোধ জানান, ঘরকে কোনো বিচারালয় না বানিয়ে সন্তানের আশ্রয়ে পরিণত করার জন্য।
শিক্ষকদের দায়িত্ব উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার দায়িত্ব শিক্ষকদের। কোনো শিক্ষার্থী কেন পিছিয়ে পড়ছে, তার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে হবে। এই ব্যর্থতার দায় শুধুমাত্র কোনো এক শিশুর ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়, বরং শিক্ষক ও শিক্ষা ব্যবস্থারও দায় থাকে।
শিক্ষার্থীদের সব ধরনের একাডেমিক সহায়তার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় সব সময় পাশে থাকবে বলেও বার্তায় পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন