প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টেকনাফে পৃথক দুটি অভিযানে ৫ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৫ (এসআরবি-১৫) ও বিজিবির যৌথ আভিযানিক দল। এ সময় তিনজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার মধ্যে একটি অভিযানে ৩ লাখ ৯০ হাজার এবং অপর অভিযানে ২ লাখ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে।
এসআরবি-১৫-এর প্রেস রিলিজে জানানো হয়, সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত সোয়া ১২টার দিকে এসআরবি-১৫-এর সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্প ও ২ বিজিবি টেকনাফ ব্যাটালিয়নের একটি যৌথ দল টেকনাফ থানাধীন শাপলা চত্বর বাজার এলাকায় অবস্থান করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা থেকে ইয়াবার চালান এনে স্থানীয় মাদক কারবারিদের কাছে সরবরাহের উদ্দেশ্যে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী দক্ষিণ জালিয়াপাড়া এলাকায় অবস্থান করছে।
এরপর ভোর সাড়ে ৩টার দিকে টেকনাফের দক্ষিণ জালিয়াপাড়া ৪ নম্বর ব্রিজের ১ নম্বর সুইচগেটের পশ্চিম পাশে খালে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৩ লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মো. ইদ্রিস (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ডেইলপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম মৃত আব্দুল হাকিম।
অপরদিকে, একই দিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এসআরবি-১৫-এর সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের একটি দল টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কচ্ছপিয়া ঘাটসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় একটি মাছ ধরার ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে ২ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অভিযানে মো. রিয়াজ (২৩) ও আতাউর রহমান (২৪) নামে আরও দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার রিয়াজ বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া এলাকার সুলতান আহমদের ছেলে। অপর গ্রেফতার আতাউর রহমান একই এলাকার নুরুল আলম ও নাছিমা দম্পতির ছেলে।
এসআরবি-১৫ জানায়, পৃথক দুটি অভিযানে মোট ৫ লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার এবং তিনজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
প্রেস রিলিজে আরও জানানো হয়, গত ৩ আগস্ট থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত এসআরবি-১৫-এর আওতাধীন এলাকায় ১২০টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে প্রায় ১৩ লাখ ৯৭ হাজার ৪২৭ পিস ইয়াবা, ৩ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস), ৩০ দশমিক ৫ কেজি গাঁজা, ৫০ বোতল ফেনসিডিল, একটি বিদেশি এসএমজি, একটি এলজি, একটি ওয়ান শুটারগান ও ৩৪২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে ৪৬ জন অপহৃত ও পাচারকৃত ভিকটিমকে উদ্ধার এবং ১৫৮ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে এসআরবি-১৫।
এসআরবি-১৫ জানিয়েছে, মাদক, অস্ত্র, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন