প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে এবার রেকর্ডসংখ্যক হিজাব পরিহিত নারী জয়ী হয়েছেন। নির্বাচনে চার নারী অঙ্গরাজ্য সিনেটর ও একজন কংগ্রেস সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এমন একটি ঘটনা দেশটির নির্বাচনি ইতিহাসে নজিরবিহীন বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্য ও হুমকি বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে হিজাব পরিহিত নারীদের জয় বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ইলহান ওমরের পাশাপাশি নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সিনেট সদস্য আবের কাওয়াস, কলোরাডোর ইমান জোদেহ, জর্জিয়ার রুয়া রোমান এবং ইলিনয় রাজ্যের সিনেট সদস্য নাবিলা সৈয়দও এই দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
গণমাধ্যম, রিপাবলিকান নেতা ও অনলাইনে ট্রলকারিরা তাদের বিদ্রুপ করেছে। গত সপ্তাহে মুসলিম পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল (এমপ্যাক) যুক্তরাষ্ট্রে উগ্র ডানপন্থি ও ইসলামবিদ্বেষী উসকানিদাতাদের তৎপরতা বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটির আশঙ্কা, এ ধরনের তৎপরতা মুসলিম আমেরিকানদের মধ্যে ভীতি তৈরি করতে পারে। এর মধ্যেই হিজাব পরিহিত কয়েকজন তরুণী নির্বাচিত পদে জয়ী হয়ে নিজেদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় সরাসরি ভূমিকা রাখার সুযোগ পেয়েছেন।
মার্কিন রাজনীতিতে মুসলিমদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে মুসলিমদের অংশগ্রহণের বিষয়টি এবারের নির্বাচনে বিশেষভাবে সামনে এসেছে। কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসের (সিএআইআর) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের নির্বাচনে স্থানীয়, অঙ্গরাজ্য ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ১৬০ জনের বেশি মুসলিম প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ২০২২ সালের নির্বাচনে এ সংখ্যা ছিল ১৪৫।
অর্থাৎ, আগের নির্বাচনের তুলনায় এবার মুসলিম প্রার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। শুধু প্রার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধিই নয়, গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাদের জয়ও মার্কিন রাজনীতিতে মুসলিম সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব বিস্তারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এআরবি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন