প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হরমুজ সম্পর্কে ছাড় দিতে ইরান প্রস্তুত নয়। আন্তর্জাতিক ডেস্ক থেকে জানানো হয়েছে।
হরমুজ প্রণালির যৌথ পরিচালনার জন্য ওমান যে প্রস্তাব দিয়েছিল, সেটি ইরান পত্রপাঠ প্রত্যাখ্যান করেছে। এরপর তেহরান নিজেই একটি নতুন প্রস্তাব সামনে এনেছে। এ কারণে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, ইরানের মূল লক্ষ্য কী?
বিষয়টি হচ্ছে, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরান কি অর্থনৈতিক লাভের উদ্দেশ্যে আগ্রহী? আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইআইএসএস এর গবেষক সাশা ব্রুকম্যান আল জাজিরাকে জানান, ইরান একা হরমুজ নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, যাতে কৌশলগত এবং সামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা যায়।
ব্রুকম্যান জানান, ‘হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের দাবির ধরন পরিবর্তিত হলেও মূল উদ্দেশ্য অপরিবর্তিত রয়েছে।' শুরুতে ইরান প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে টোল আদায়ের কথা বলছিল। পরে সেটি পরিবর্তন করে ‘সেবা ফি’ এবং বর্তমানে ‘স্বেচ্ছামূলক ফি’ বলা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এসব দাবির মূল উদ্দেশ্য হলো হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা। তিনি আরও বলেন, ওমানের প্রস্তাবিত ৫০-৫০ যৌথ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ইরান প্রত্যাখ্যান করেছে, কারণ এতে একটি নৌপথ তাদের সরাসরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।
ব্রুকম্যানের বিশ্লেষণে উপস্থাপিত দৃষ্টিতে, এটি এমন একটি লেন, যেটি তারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। এই বিষয়টি সামরিক ও নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত, বৈশ্বিক তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার সঙ্গে নয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্ব বহনকারী জ্বালানি পরিবহন পথ। এই নৌপথের ওপর প্রভাব প্রতিষ্ঠা করলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ইরান বড় ধরনের কৌশলগত সুবিধা লাভ করতে সক্ষম হবে।
ব্রুকম্যান আরও বলেন, ওয়াশিংটনকে পাশ কাটিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে আলাদা সমঝোতায় পৌছানো এবং ধাপে ধাপে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করাই হচ্ছে ইরানের বর্তমান কৌশল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন