প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পটুয়াখালীর বাউফলে পানি নিষ্কাশনের পাইপ বসানো নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষের কারণে এক যুবক মারা গিয়েছেন। সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। বুধবার (৩ জুন) সকাল ৮টার সময় উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লঞ্চঘাট এলাকার পূর্ব পাশে রবীন্দ্র হাওলাদারের বাড়িতে এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।
নিহত রবীন্দ্র হাওলাদার, যিনি একই এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন: নিহত রবীন্দ্রের স্ত্রী ঠাকুরানী হাওলাদার (৪৫) এবং তার দুই ছেলে হৃদয় হাওলাদার (২৫) ও রনি হাওলাদার (২২)।
এদিকে এ ঘটনার পর পুলিশ চারজনকে আটক করেছে।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কিছু পরিবার মিলে পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি পাইপ স্থাপনের কার্যক্রম শুরু করে। এ উদ্দেশ্যে অর্থ সংগ্রহ করাকে কেন্দ্র করে রবীন্দ্র হাওলাদারের সঙ্গে প্রতিবেশী রতন ব্যাপারীর মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। ঘটনার একদিন আগে এ বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়েছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী বিভূতি সরকারের বর্ণনায়, আচমকা আজ দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। একপর্যায়ে রবীন্দ্র হাওলাদারের মাথায় লোহার শাবল দিয়ে আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন।
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শাহরিয়ার আল কাইয়ুম জানান, সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। নিহত রবীন্দ্র হাওলাদারকে হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যুবরণ করেন। আহত হৃদয়, রনি ও ঠাকুরানী হাওলাদারকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত চারজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।’
আহত অবস্থায় চিকিৎসার জন্য আসা অভিযুক্ত আনন্দ ব্যাপারী (৫৫), কুসুম রানী (৪৫), প্রদ্বীপ ব্যাপারী (২৭) এবং রতন ব্যাপারীকে পুলিশ আটক করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন