প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দিনভর অফিসের ডেস্কে বসে কম্পিউটারের দিকে শুধু তাকিয়ে কাজ করা হয়ে ওঠে না। আবার বাড়ি ফিরেও হাজার কাজ নিয়ে অবসন্ন হয়ে পড়া। সকালে বা বিকালে ৪০-৪৫ মিনিট সময় বার করা আদৌ সহজ বিষয় হতে পারে না! শরীরের জন্য কী ধরনের ব্যায়াম করা ভালো, তা খুঁজে বের করাতেই সময় চলে যায়। এদিকে অফিসে টানা ৮-৯ ঘণ্টা বসে কাজ করার ফলে শরীরের যে কত ক্ষতি হচ্ছে, তা বলার মতো ভাষা নেই। টানা ঘণ্টা দুয়েক যদি কেউ চেয়ারে বসে কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকে, তাহলে যেমন চোখের ওপর চাপ পড়ে, তেমনই নিতম্বের পেশির অসাড়তা বাড়ে। এই সমস্যাকে বলা হচ্ছে— ‘অফিস চেয়ার বাট সিনড্রোম’।
এ সমস্যায় নিতম্বের পেশির আকারও বদলে যাচ্ছে। ফলে বদলাচ্ছে নিতম্বের গড়ন। এর থেকে বাঁচতে যোগাসনের একটি সহজ পদ্ধতি আছে। চেয়ারে বসেই সেই পদ্ধতি করা যায়। নাম হচ্ছে 'সিটেড হিপ সার্কল'।
দীর্ঘ সময় ধরে যারা বসে কাজ করছেন, তাদের মাঝে একটি অদ্ভুত সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এর থেকে মুক্তি পেতে নানা ধরনের স্ট্রেচিং করার পরামর্শ দিচ্ছেন ফিটনেস প্রশিক্ষকরা। তবে যোগাসনের একটি বিশেষ পদ্ধতি আছে, যা নিয়মিত অভ্যাসের মাধ্যমে পা, কোমর ও নিতম্বের পেশির শক্তি বাড়াতে সাহায্য করবে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে পেশির শক্তি বাড়ানো যাবে—
পিঠ টানটান রেখে চেয়ারে সোজা হয়ে বসুন। মাথা ও ঘাড় সোজা রাখবেন। দুই হাত থাকবে ঊরুর ওপর। এরপর চেয়ারের সামনের দিকে কিছুটা এগিয়ে আসুন। হাঁটু সোজা রেখে ডান পা যতটা সম্ভব সামনের দিকে বাড়িয়ে দিন। এ অবস্থানে ডান পা ধীরে ধীরে ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরাতে হবে চেয়ারে বসেই। এমনভাবে এটা করতে হবে, যাতে নিতম্বের পেশিতে টান অনুভব হয়। এই যোগাসন করার সময় শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। ডান পা ৫-৭ বার ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরানোর পর ডান পা সোজা করে এবার ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘোরাতে হবে। একইভাবে বাঁ পায়েও আসনটি করতে পারবেন।
উপকারিতা:
অভ্যাসটি করলে পা, কোমর ও নিতম্বের পেশির স্ট্রেচিং হবে। দীর্ঘ সময় বসে থাকার কারণে কোমরে ব্যথা হলে এই আসন অভ্যাসে পরিণত করা যেতে পারে। নিয়মিত করলে সায়াটিকার ব্যথাও সেরে যাবে। এবং কাফ মাসলেরও ব্যায়াম হবে এতে। এছাড়া গোড়ালির ব্যথা সারবে নিয়মিত এই অভ্যাসে। সেই সঙ্গে শরীরের নিম্নাংশের মেদও কমতে পারে।
কিন্তু সবাই এ যোগাসন করতে সক্ষম নাও হতে পারেন। যদি কারও আর্থ্রাইটিসের ব্যথা থাকে, তাহলে সেই ব্যক্তি এ আসনটি করতে পারবেন না। তাদের জন্য ভালো ফল বয়ে আনবে না। এছাড়াও, হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করা আছে, এমন ব্যক্তি এ আসনটি করতে পারবেন না। এতে তাঁদের সমস্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন