প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক উল্লেখ করেছেন, "আমরা ডিভাইসের হাত থেকে আমাদের সন্তানদের দূরে রাখতে চাই। আমরা একটি মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে চাই। মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে খেলাধুলা।"
তিনি আরও জানান, "খেলাধুলার জন্য মাঠের প্রয়োজন, ইতোমধ্যে সরকার প্রতিটি উপজেলায় একটি করে স্টেডিয়াম এবং প্রত্যেকটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরি করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।" পরিকল্পনার বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসক ও ইউএনওদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আজ দুপুরে ভোলা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর আয়োজিত ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "আমাদের খেলোয়াড়দের পেশাগত যে স্বীকৃতি, সেই স্বীকৃতি বাবদ আমরা ক্রীড়া ভাতা, ক্রীড়া কার্ড প্রদান করছি।" তিনি উল্লেখ করেন, "পড়াশোনা করে শুধু ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যারিস্টার হবে না, পড়াশোনা করে যাতে খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি।" ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টসের মাধ্যমে তৃণমূলের খেলোয়াড়দের প্রতিভা অন্বেষণ করে বিকেএসপিতে ভর্তি করানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "যারা ট্যালেন্ট তাদের মধ্যে কেউ যদি ফুটবলের হয়, কেউ যদি ক্রিকেটের হয়, কেউ যদি ভলিবলের হয়, কেউ যদি সাঁতারের হয় তাদেরকে জাতীয় খেলোয়াড় বানিয়ে তাদেরকে মাঠে নামাব, এটি হচ্ছে আমাদের লক্ষ্য।"
তিনি জানান, "চতুর্থ শ্রেণি থেকেই আমাদের আগামী যে শিক্ষাক্রম সেখানে ‘খেলাধুলা’ নামক একটি বই সংযোজন হচ্ছে।" পাঠ্যপুস্তকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, "গত ১৭ বছর স্বৈরাচারী সরকার শুধু নিজেদের উন্নয়ন করেছে। তাদের নিজেদের পকেট ভারী করেছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের কোনো উন্নয়ন করেনি।"
আমাদের বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী মাত্র সাত মাসের মধ্যে নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড দিয়েছেন। শিক্ষার ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
আমিনুল হক বলেন, "ভোলা এবং বরিশাল জেলার প্রতিটি উপজেলায় ল্যাব তৈরি করা হবে।" তিনি বিশ্বাস করেন, "কম্পিউটার ল্যাব তৈরির মাধ্যমে আজকের কার্যক্রমে আরও অনেক বেশি অংশগ্রহণ বাড়বে।"
ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব শেখ মো. জোবায়েদ হোসেন, ভোলা জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ গোলাম নবী আলমগীর, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার।
অনুষ্ঠান শেষে ১৮ জন সফল ফ্রিল্যান্সারকে স্বীকৃত স্বরূপ ল্যাপটপ ও স্মার্ট ফোন প্রদান করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ভোলার ইলিশায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন বায়োগ্যাস পল্লী ও শহরের পুরাতন যুগীরঘোল এলাকায় জেলা ক্রীড়া দলের অফিস উদ্বোধন করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন