প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছেন।
দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, আলোচনা খুব ভালো হয়েছে। আমার কাছে সবকিছু ইতিবাচক মনে হয়েছে।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘খুবই ভালো লাগলো। আমরা পাবলিক ফিগার হিসেবে পারস্পরিক সাক্ষাৎ করেছি, একজন কূটনীতিক হিসেবে নয়। এটি মানুষে-মানুষে যোগাযোগের প্রতিনিধিত্ব করে। আমি খুবই আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হলো। প্রথমবার দেখা হওয়া সত্ত্বেও মনে হয়নি যে এটি প্রথমবার।’ এবং তিনি বলেন, ‘তিনি খুবই ভালো ও অত্যন্ত হাম্বল।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের আক্রান্ত ও আলোচনা দুটোই ভালো হয়েছে, আমি লুকিং ফরওয়ার্ড। আমাদের কাছে আগেই ইনভাইটেশন ছিল। প্রধানমন্ত্রী ভারত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। দুই নেতার সাক্ষাতে আলোচনা হলে, ডেমোক্রেসিতে ইস্যু থাকবে। আমাদের বাংলাদেশি ইস্যু হবে। তবে মানুষের একটাই ইস্যু হচ্ছে ভালো সম্পর্ক, যা আগামীতে উইন-উইন সিচুয়েশন তৈরি করবে। আমাদের ইতিহাসগত সম্পর্কও বদলায় না। আমাদের প্রতিবেশী মুসলিমের সম্ভবনা পূর্ণ হতে হবে।’
ভারতীয় হাইকমিশনার আরও বলেন, আমি মনে করি আগামী দিনের উন্নতি হবে। এ ইস্যুটির সমাধান দুপক্ষকে করতে হবে। আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী, আমি খুবই আশাবাদী। প্রথমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গেও দেখা হলো। আমি দুই নেতার প্রতিও কৃতজ্ঞ।
তিনি আরও বলেন, আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, এমন কিছু ইস্যু নেই যা আলোচনা করে সমাধান করতে পারবো না। আমার প্রধানমন্ত্রী সবসময় বলেছেন, সম্পর্ক ভালো থাকা বিশেষ প্রয়োজন। নাহলে আমি কেন এখানে আসি?
এ সময় ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নিতে ভারতে যাবেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘হবে, হবে, সবই ভালো, ইতিবাচক সবকিছুই হবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন