প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল ওলামা সামিটের মাধ্যমে পরিষদের সভাপতি মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ এবং সেক্রেটারি মুফতি রেজাউল করীম আবরারসহ প্রাথমিক কমিটি প্রকাশ করা হয়।
রোববার বিএমএ মিলনায়তনে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেন পরিষদের সভাপতি মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ।
এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, সমাজে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় উলামায়ে কেরামের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাদ্রাসায় শিক্ষালাভ করেছেন অথবা মাদ্রাসা ও উলামায়ে কেরামের সঙ্গে যুক্ত—এমন ব্যক্তিদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা তুলনামূলকভাবে কম বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আবারও বলেন, সমাজে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় উলামায়ে কেরামের ভূমিকা অনস্বীকার্য। মাদ্রাসার সঙ্গে বা উলামায়ে কেরামের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা অত্যন্ত কম। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে (জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর) দেশে ১ লাখ ৫১ হাজার ৫৯৬টি মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে উলামা ও মাদ্রাসার সঙ্গে যুক্ত মানুষের সংখ্যা খুবই নগণ্য, বললেই চলে। সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, সমাজে অপরাধ দমনে উলামায়ে কেরামের ভূমিকা কতখানি ব্যাপক। দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামগ্রিকভাবে উলামায়ে কেরামকে গণহারে দোষারোপ করা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ একই সঙ্গে উলামায়ে কেরামকে সতর্ক করে বলেন, ‘সাদা পোশাকে দাগ বেশি দেখা যায়। সে কারণে মাদ্রাসা ও উলামায়ে কেরামকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। এমন কোনো কাজ করা যাবে না, যা মানুষের মনে আলেম সমাজের শান বা মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। স্থানীয় জনসাধারণের সঙ্গে সম্পর্ক ও ঘনিষ্ঠতা আরও বৃদ্ধি করতে হবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন