প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজীপুরের শ্রীপুরে সাফারি পার্কে উদ্ধার করে আনা হাতি ‘রাজু বাহাদুর’ গত এক বছর ধরে বাঁচা-মরার সন্ধিক্ষণে রয়েছে। সম্প্রতি অন্য একটি হাতির আক্রমণে হাতিটির দুটি পা ভেঙে যায়। এখন হাতিটির অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে।
রাজু বাহাদুর আহত হওয়ার পর থেকেই উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশি-বিদেশি চিকিৎসক দলের সদস্যরা নিরলস চেষ্টা চালাচ্ছেন তাকে সুস্থ করার জন্য। তবে হাতিটির অবস্থার তেমন উন্নতি না হওয়ায় বাঁচার বিষয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। হাতিটি বর্তমানে শুয়ে শুয়ে খাবার গ্রহণ করছে এবং নিয়মিত চিকিৎসার কার্যক্রমও চলছে।
গাজীপুর সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক রহমান সংবাদমাধ্যমকে জানান, হাতিটি আগের তুলনায় অনেক কম খাবার খাচ্ছে। প্রাণীটিকে সুস্থ করার জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। তবে এখনো এটি দাঁড়াতে পারছে না।
পার্ক কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন, গত ২৪ মে অন্য একটি হাতির ধাক্কায় হাতিটি মাটিতে পড়ে যায়। পরে এক্স-রে পরীক্ষায় নিশ্চিত হয় হাতিটির পা ভেঙে গেছে। ঘটনা পরবর্তীতে ক্রেনের সাহায্যে হাতিটিকে বালুর ওপর স্থানান্তর করা হয়, যেখানে বর্তমানে নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে চিকিৎসা চলছে।
গাজীপুর সাফারি পার্কের ওই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও জানান, ঘটনার দিনই একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে হাতিটির চিকিৎসা চলছে। থাইল্যান্ড থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডেকে治疗 দেওয়া হয়েছে। যদিও চিকিৎসক চলে গেছেন, তবে তার পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা অব্যাহত রয়েছে।
পার্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর এলাকা থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় বন বিভাগের বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট হাতিটি উদ্ধার করে। এই বাজে অবস্থায় হাতিটির মাধ্যমে চাঁদাবাজি করছিলেন আতিকুর রহমান নামক এক ব্যক্তি। সে সময় হাতিটির বয়স ছিল ৯ বছর, বর্তমানে তার বয়স ১০ বছরের বেশি হয়ে গেছে। উদ্ধারের পর থেকে হাতিটিকে সাফারি পার্কের হাতিশালায় একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন