প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সমাজকল্যানমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, দেশের কোথাও সারের কোনো ঘাটতি বা অভাব নেই। তিনি উল্লেখ করেন যে, কিছু সার ডিলার সঠিকভাবে বণ্টন করেন না, যা সমস্যা সৃষ্টি করে। তিনি সবাইকে সতর্ক করে বলেন, সারের জন্য অতিরিক্ত টাকা পয়সা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সরকার নির্ধারিত দামেই সারের মূল্য প্রদান করতে হবে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার রতনপুর স্কুলমাঠে বিএনপি আয়োজিত নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, কৃষকরা যেন সঠিকভাবে সার পেতে পারেন, সেজন্য সরকার নতুন করে সারের ডিলার নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। তিনি জানান, কে কতটুকু সার তুলছে এবং কোন ইউনিয়নে কতটুকু সার বিতরণ করা হচ্ছে, সেগুলো টাঙিয়ে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে কৃষকরা বুঝতে পারবেন, কে সার তুলছে এবং কে সার তুলছে না। সার বিতরণে যাতে কোনো ধরনের সমস্যা না হয় এবং কেউ সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে না পারে, সেই লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, সরকারের ৭ মাসের মধ্যে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা কৃষি ঋণের সুদ মওকুফ করা হয়েছে। অক্টোবরের মধ্যবর্তী সময় থেকে সকল পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবেন এবং কেউ ফ্যামিলি কার্ডের আওতার বাইরে থাকবে না। আগামী বছর থেকে কৃষক কার্ড পাওয়ার পর কৃষকদের সার, বীজ, বালাইনাশক এবং কৃষি ঋণের জন্য দৌড়াদৌড়ি করতে হবে না।
মন্ত্রী ঘোষণা করেন, আগামী চার বছরের মধ্যে প্রত্যেকটি মসজিদ, মন্দির, গির্জার ঈমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব, পুরোহিত এবং ফাদারদের আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করা হবে। এছাড়া, আগামী বছর থেকে প্রত্যেকটি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য মিড-ডে মিল চালু করা হবে। ছেলে বা মেয়ে হোক, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে, যা বিএ পর্যন্ত নয় বরং বিদেশে উচ্চ শিক্ষার সুযোগও প্রদান করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন