প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান রো খান্না ভারত সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে হিন্দু জাতীয়তাবাদ ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমালোচনা করেছেন। তিনি ভারতীয় শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের দাবিতে রাজপথে আন্দোলনরতদের প্রশংসা করেছেন।
সম্প্রতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) রো খান্নার প্রতি আহ্বান জানান যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক শিক্ষাবিদ গৌরব সাবনিস। তিনি মোদি সরকারের বিষয়ে খান্নার অবস্থান স্পষ্ট করার জন্য অনুরোধ করেন। এর প্রতিক্রিয়ায়, খান্না বলেন, তিনি হিন্দু জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সমর্থন করেছেন।
গৌরব সাবনিস তার পোস্টে উল্লেখ করেন, রো খান্না নিজেকে প্রগতিশীল রাজনীতিক হিসেবে পরিচয় দিলেও মোদি সরকারের অধীনে রাজনৈতিক বন্দিত্ব ও সংখ্যালঘুদের অধিকার সংকুচিত হওয়ার মতো বিষয়গুলোতে নীরব রয়েছেন। তিনি হিন্দুত্ববাদ, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) এবং মোদি সরকারের বিষয়ে খান্নার অবস্থান পরিষ্কার করার আহ্বান জানান।
রো খান্না তার জবাবে বলেন, "আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে হিন্দু জাতীয়তাবাদের নিন্দা জানিয়েছি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে ও অন্তর্ভুক্তির পক্ষে রাজপথে কথা বলা শিক্ষার্থীদের সাধুবাদ জানিয়েছি।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "আমার দাদা মহাত্মা গান্ধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অংশ ছিলেন। আমি গান্ধী ও নেহরুর বহুত্ববাদী আদর্শে বিশ্বাস করি।"
রো খান্না যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে প্রভাবশালী প্রগতিশীল কণ্ঠগুলোর মধ্যে অন্যতম। তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার ১৭তম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্টের প্রতিনিধি, যা সিলিকন ভ্যালির একটি অংশকে অন্তর্ভুক্ত করে। ২০১৬ সালে তিনি প্রথমবারের মতো কংগ্রেস সদস্য নির্বাচিত হন। ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বার্নি স্যান্ডার্সের প্রচারশিবিরের সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে, রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যবসায়ী রিতেশ ট্যান্ডনকে ৪২ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে ষষ্ঠ মেয়াদে কংগ্রেস সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন খান্না।
এদিকে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের ফলে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে দলটি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই রাজনৈতিক পরিবর্তনকে অনেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প-পরবর্তী মার্কিন রাজনীতির সূচনা হিসেবে দেখছেন।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ অনলাইন
এআরবি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন