প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পরিকল্পিত ও দৃষ্টিনন্দন পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রধান চালিকাশক্তি, ‘কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ (কউক)-এর নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রকৌশলী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। সরকার তাকে গ্রেড-২ পদমর্যাদায় এই সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত সরকারি সংস্থার শীর্ষ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করেছে। নবনিযুক্ত এই চেয়ারম্যান কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বাসিন্দা।
প্রকৌশলী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগের বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী।
প্রজ্ঞাপনে এটা উল্লেখ করা হয়েছে, কউক-এর চেয়ারম্যান পদে যোগদানের পূর্বে তাকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা অথবা সরকারি, আধা-সরকারি কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সাথে থাকা সমস্ত কর্ম-সম্পর্ক বা লিয়াজোঁ আনুষ্ঠানিকভাবে পরিত্যাগ করতে হবে। এছাড়াও এই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অন্যান্য শর্তাবলী পরবর্তীতে মূল চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে বলে জানানো হয়েছে।
জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশের অনুলিপি ইতিমধ্যেই অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ দফতর ও কর্মকর্তাদের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন সমুদ্র সৈকতের ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা, অপরিকল্পিত নগরায়ন রোধ এবং ভূমির যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে ২০১৬ সালে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) যাত্রা শুরু করে। ২০১৫ সালের ৬ জুলাই জাতীয় সংসদে ‘কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল’ পাস হওয়ার পর ২০১৬ সালের ৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে এর সরকারি গেজেট প্রকাশিত হয়। একই বছরের ১১ আগস্ট প্রথম চেয়ারম্যান নিয়োগের মাধ্যমে সংস্থাটি তার পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম শুরু করে।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত এই সংস্থায় তিনজন চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করেছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল ও অংশীজনেরা আশা প্রকাশ করছেন, একজন দক্ষ প্রকৌশলী ও উপকূলীয় এলাকার সন্তান হিসেবে নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানের হাতে কক্সবাজারের চলমান মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত পরিবেশবান্ধব পর্যটন নগরী গড়ার প্রক্রিয়া আরও গতিশীল ও বেগবান হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন