প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী বিশেষ অভিযান উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মাধ্যমে শুরু হবে ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য এই তিন মাসের বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি।
ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলার জন্য আগামী তিন মাসকে ঝুঁকিপূর্ণ সময় হিসেবে চিহ্নিত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীকে এই কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একটি সভায় প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের জন্য শুধুমাত্র মশকনিধন কার্যক্রমের ওপর নির্ভর না করে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
এজন্য স্থানীয় প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে সমন্বিতভাবে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। কর্মসূচির আওতায় মহানগর এলাকায় সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকরা কার্যক্রমের সমন্বয় করবেন। উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) স্থানীয় পর্যায়ের কার্যক্রমের সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবেন।
উপ-প্রেস সচিব জানান, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক এই অভিযানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি স্কাউট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি), গার্ল গাইডস, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের যুক্ত করা হবে।
প্রতি শনিবার স্বেচ্ছাসেবক ও শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় গিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে পারে— এমন স্থান চিহ্নিত করা এবং মানুষকে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে সচেতন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
হাসান শিপলু জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাঠপর্যায়ের পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষ করে টেলিভিশনে জনসচেতনতামূলক প্রচার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধের বার্তা নিয়মিতভাবে তুলে ধরার জন্য সংশ্লিষ্টদের বলেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী তিন মাস ডেঙ্গু পরিস্থিতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই সময়ে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা ও আশপাশের এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার রাখার বিষয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন