প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির আসন্ন বার্ষিক সম্মেলনকে কেন্দ্র করে একটি বিশাল নীরব বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করতে যাচ্ছে অধিকার রক্ষা বিষয়ক সংস্থা ‘ডিফেন্ড আওয়ার জুরিস’, যা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’-এর সমর্থনে অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টির এই সম্মেলনে গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা এবং যুদ্ধাপরাধে ব্রিটেনের সহযোগী ভূমিকা বন্ধের দাবিতে প্রতিবাদের ডাক দেওয়া হয়েছে।
লিভারপুলের সম্মেলন কেন্দ্রের কাছে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই প্রতিবাদকে আয়োজকরা যুক্তরাজ্যের নতুন সরকারের জন্য একটি "নৈতিকতার পরীক্ষা" হিসেবে দেখছেন।
সংস্থাটি জানায়, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে নিষিদ্ধ করার পর থেকে প্রায় ৩,৬০০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এত গ্রেপ্তার ও দমন-পীড়ন সত্ত্বেও, আগামী রোববার শুরু হতে যাওয়া চার দিনব্যাপী এই সম্মেলনে কয়েকশ মানুষ "আমি গণহত্যার বিরোধী, আমি প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে সমর্থন করি" লেখা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
লেবার পার্টির নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম সম্প্রতি দখলীকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও, মানবাধিকার সংগঠনগুলো ব্রিটেন থেকে ইসরায়েলে সব ধরনের অস্ত্র রপ্তানি অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানাচ্ছে। একই সাথে তারা প্যালেস্টাইন অ্যাকশনের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বানও জানিয়েছে।
গাজায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান 'এলবিট সিস্টেমস'-এর কার্যক্রম ব্যাহত করার লক্ষ্যেই মূলত প্যালেস্টাইন অ্যাকশন আন্দোলন চালিয়ে আসছিল। বিক্ষোভকারীদের মতে, যুক্তরাজ্য সরকার যদি সত্যি সত্যিই ইসরায়েলি অপরাধের অংশীদার হওয়া বন্ধ করতে চায়, তবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের ওপর গ্রেপ্তার বন্ধ করে নিষিদ্ধাদেশ তুলে নেওয়া উচিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন