প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের একটি শিশু ডে কেয়ারে এক শিশু ব্যাগ থেকে একটি গুলি ভর্তি (লোডেড) পিস্তল বের করেছে। তবে সেখানে উপস্থিত শিক্ষকের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে শিশুটির কাছ থেকে অস্ত্রটি সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। এই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ডেট্রয়েট শহরের পশ্চিমে ক্যান্টন টাউনশিপের একটি শিশু ডে কেয়ারে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, শিশুটির ব্যাগের ভেতর একটি খাপে রাখা ভর্তি পিস্তল ছিল। যখন শিশু সেটি ব্যাগ থেকে বের করে, তখন সেখানে কর্মীরা দ্রুত অস্ত্রটি সরিয়ে নেন।
ক্যান্টন টাউনশিপের পুলিশ প্রধান জোসেফ বিয়ালি জানিয়েছেন, ঘটনার সময় কক্ষে একজন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। তিনি শিশুটির হাতে অস্ত্র দেখতে পেয়ে দ্রুত এগিয়ে গিয়ে সেটি সরিয়ে নেন।
পুলিশ প্রধান বলেন, ঘটনার ভিডিও দেখে বোঝা যায় যে, দৃশ্যটি যে কারও কাছে ভয়াবহ মনে হবে। তবে ডে কেয়ার কেন্দ্রের কর্মীরা পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তুত ছিলেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সব শিশুকে নিরাপদ রাখতে সক্ষম হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষক দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াত, তা বলা কঠিন।
পুলিশ শিশুটির বাবা-মায়ের পরিচয় প্রকাশ করেনি। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো ফৌজদারি অভিযোগও দায়ের হয়নি। তবে ওয়েন কাউন্টির সরকারি কৌঁসুলির দপ্তর জানিয়েছে, অভিযোগের আবেদন পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ওই দিন কোনো শুনানি হবে না বলেও জানানো হয়েছে।
পুলিশ প্রধান জানান, শিশুটির বাবা-মায়ের একজন পাশের একটি এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা। তবে যাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে, তিনি সেই কর্মকর্তা নন। তিনি মনে করেন, অস্ত্রটি ওই কর্মকর্তার সরকারি অস্ত্র ছিল না।
ঘটনার পর শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রটি পরিবারটিকে আর সেখানে রাখেনি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে ডে কেয়ার কেন্দ্রে প্রবেশের সময় শিশুদের ব্যাগ তল্লাশি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ প্রধান বলেন, ঘটনায় কারও ইচ্ছাকৃত ক্ষতি করার উদ্দেশ্য ছিল বলে তিনি মনে করেন না। তার মতে, মূল বিষয় হলো আগ্নেয়াস্ত্র নিরাপদে সংরক্ষণ করা।
তিনি আরও বলেন, কোনো বাড়িতে শিশু থাকলে বা শিশুর উপস্থিতির সম্ভাবনা থাকলে আগ্নেয়াস্ত্র নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করা আইন অনুযায়ী বাধ্যতামূলক।
সূত্র: এনবিসি নিউজ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন