প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মাদরাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা এবং বেসরকারি টেলিভিশন স্টেশন ডিবিসির চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে কারাগারে আটক রাখার জন্য আবেদন করা হয়েছে।
এই আবেদনটি করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার এসআই মোহাম্মদ আমির হোসেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মহিন উদ্দিন জানিয়েছেন, আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
গতকাল বুধবার দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে বেসরকারি টিভি ডিবিসি নিউজের কার্যালয় থেকে পুলিশ ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটক করে। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান অপরাধ প্রতিবেদক রাজীব ঘোষকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডেইলি অবজারভারের সম্পাদক ও প্রকাশকের দায়িত্ব পালন করছেন।
গ্রেপ্তারের পর ডিএমপির জনসংযোগ বিভাগের ডিসি আকতার হোসেন বলেছিলেন, “একটি খবর প্রচারকে কেন্দ্র করে ডিবিসিতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সেখান থেকে সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও রাজিব ঘোষকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।”
তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি। রাতে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে মাদরাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
তবে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে আটক ডিবিসি নিউজের বিশেষ প্রতিনিধি রাজীব ঘোষকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দাপ্রধান শফিকুল ইসলাম।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী এলাকার বউবাজার রোডে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় লর্ড হার্ডিঞ্জ ফাযিল মাদরাসার আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্র আরিফের চোখে গুলি লাগে। চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনায় আরিফের বাবা ইউসুফ ২০২৪ সালের ২ আগস্ট শেখ হাসিনাসহ ২৩৩ জনের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার ৫৩ নম্বর আসামি হিসেবে ইকবাল সোবহান চৌধুরীর নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন