প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলমান সংঘাতের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে বহুল প্রতীক্ষিত ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। রাশিয়ার দীর্ঘদিনের সামরিক আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং ইউক্রেনের অংশগ্রহণে একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামী নভেম্বরের প্রথমার্ধে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আবুধাবিতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যা ক্রেমলিন নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের জানান, সেন্ট পিটার্সবার্গে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকের পর এই নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগের পথ উন্মুক্ত হয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে মার্কিন মধ্যস্থতায় কিছু আলোচনা অনুষ্ঠিত হলেও তা থেকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আসেনি। পরবর্তীতে মার্কিন প্রশাসন অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংঘাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় আলোচনা স্থগিত হয়ে যায়।
এদিকে, গত মঙ্গলবার কিয়েভে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন দূত উইটকফ। এরপর কিয়েভের পক্ষ থেকেও যত দ্রুত সম্ভব আলোচনা পুনরায় শুরুর আশাবাদ প্রকাশ করা হয়েছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, এবারের বৈঠকেও বড় কোনো কূটনৈতিক সাফল্যের সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, ইউক্রেনের বিশাল ভূখণ্ড মস্কোর হাতে ছেড়ে দেওয়া এবং ইউক্রেনের ন্যাটো (NATO) জোটে যোগ না দেওয়ার বিষয়ে নিজেদের কঠোর অবস্থান থেকে রাশিয়া এখনো সরে আসেনি। বৃহস্পতিবার রাতে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনও পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোনো স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতির চেয়ে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা বন্দোবস্ত ও চূড়ান্ত শান্তিচুক্তিই তাদের আলোচনার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।
এই কূটনৈতিক উদ্যোগের পাশাপাশি বন্দি বিনিময়ের ঘটনাও ঘটেছে। শুক্রবার রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে সমঝোতার অংশ হিসেবে উভয় পক্ষ ২৭০ জন করে যুদ্ধবন্দি একে অপরকে হস্তান্তর করেছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ ধরনের বন্দি বিনিময় অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন