প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজশাহীর বাঘা এলাকায় স্ত্রী জুসি খাতুনকে (৩০) ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে হত্যা করার অভিযোগে প্রধান আসামী স্বামী জহুরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাঘা থানার পুলিশ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার ৬ দিন পর চারঘাট উপজেলার নিমপাড়া ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করে। জহুরুল ইসলাম (৪০) বাঘা উপজেলার আড়ানী ইউনিয়নের খোর্দ্দবাউসা গ্রামের ইনছার আলীর সন্তান।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টার দিকে আড়ানী খোর্দ্দবাউসা গ্রামে তার স্বামী জহুরুল প্রকাশ্যে নিজ বাড়িতে এই হত্যার ঘটনা ঘটান। নিহত জুসি খাতুন বাগাতিপাড়া উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের মালিগাছা গ্রামের লুৎফর রহমানের কন্যা। ওই দিন নিহতের পিতা লুৎফর রহমান বাদি হয়ে বাঘা থানায় ৬ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৬ সেপ্টেম্বর জহুরুল ইসলাম কাজ শেষে মাঠ থেকে বাড়ি ফেরেন। এ সময় তার দেড় বছরের সন্তান জায়ান হোসেন কান্নাকাটি করছিল। জহুরুল তার স্ত্রীকে ছেলেকে থামাতে বলেন। এর আগে ঋণের কিস্তির টাকা নিতে এসে এনজিও মাস্টার গালমন্দ করে চলে যায়। এই নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে জহুরুল খেজুরের গাছ ঝোড়া ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে স্ত্রীকে হত্যা করেন। স্ত্রীকে হত্যা করার পর তিনি বাড়ির পাশে খোর্দ্দবাউসা বাজারে গিয়ে একটি চায়ের দোকানে গিয়ে বলেন, "আমার আগে পিছে কিছুই নেই, আমি আজ থেকে মুক্ত"। এরপর তিনি সেখান থেকে পালিয়ে আত্মগোপনে চলে যান। তাদের ৯ বছর আগে সামাজিকভাবে বিয়ে হয়েছিল এবং তাদের দুটি সন্তান রয়েছে, দেড় বছরের জায়ান হোসেন এবং ৭ বছরের জিহাদ হোসেন।
বাঘা থানার তদন্ত ওসি সুপ্রভাত মন্ডল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামী জহুরুলকে আটক করা হয়েছে এবং পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন