প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় ইলিশ শিকারের অভিযোগে আটক ২৪ জেলের মধ্যে ২২ জনকে কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় জেলেদের হেফাজতে থাকা ২৫ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্টজাল, ৬টি মাছ ধরার নৌকা এবং ৫ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে।
রবিবার দিবাগত রাতে তাদের আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত কারাদণ্ড প্রদান করেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন রিফাত (২৫), রাসেল খান (২৬), দেলোয়ার হোসেন (৬০), সুজন গাজী (৩০), ইদ্রিস আলী (৩৫), নজরুল বেপারী (২৮), মনির মিজি (২৮), শহীদ গাজী (২৯), দেলোয়ার হোসেন মোল্লা (৬০), জাহাঙ্গীর বেপারী (৩৫), সেলিম ফকির (৩০), মো. নজরুল (৩০), কামাল বেপারী (৩৪), লিটন বেগ (৪৫), মাইনুদ্দিন (৪৭), নয়ন শরীফ (১৮), নিজাম প্রধানিয়া (৩৬), মো. রাসেল (৩০), মনির বেপারী (২৮), মোহাম্মদ হোসেন (১৯), রাসেল গাজী (২৫) এবং মো. ইকবাল (২২)। এই জেলেদের বাড়ি চাঁদপুর ও পার্শ্ববর্তী শরীয়তপুর জেলায় অবস্থিত।
অভিযানে অংশগ্রহণকারী সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, মা ইলিশের প্রজনন রক্ষায় গতকাল রবিবার বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সদর উপজেলার আনন্দ বাজার, লালপুর, কাচিকাটা, চিরাচর, হরিসভা, রনাগোয়াল, দোকানঘর এবং বহরিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় চিরাচর থেকে ১৮ এবং দোকানঘর এলাকা থেকে ৬ জেলেকে আটক করা হয়।
রাত ১২টায় কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশনে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদ ইকবাল, মো. রহমত উল্লাহ এবং তানভীর রাব্বী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় আটক ২২ জেলেকে ১২ দিন করে কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ২০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়। অপর দুই জেলে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা রেখে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান আরও জানান, জব্দ করা কারেন্টজাল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। জব্দ করা ইলিশ এতিম খানায় বিতরণ করা হবে এবং ৬টি নৌকা কোস্টগার্ডের হেফাজতে রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন