প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বুধবার বেলা ১১ টায় ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন এলাকায় 'সামাজিক সংগ্রাম পরিষদ' গাইবান্ধা জেলার উদ্যোগে গাইবান্ধায় মেডিকেল কলেজ স্থাপন, আধুনিক হাসপাতালের দুর্নীতি, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা রোধ, নতুন ভবনের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালু, পর্যাপ্ত ডাক্তার- নার্স নিয়োগ, হাম-ডেংগু প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণসহ প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন 'সামাজিক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মইনুল ইসলাম রাজা' এবং পরিচালনা করেন সদস্য সচিব কাজী আবু রাহেন শফিউল্যা খোকন। বক্তব্য রাখেন সামাজিক সংগ্রাম পরিষদের সদস্য ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ প্রনব চৌধুরী, জিয়াউল হক জনি, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু, মোস্তফা মনিরুজ্জামান, এডভোকেট নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, রেজাউল করিম জুয়েল, অবঃ সেনা সদস্য সেকেন্দার আলী, মানবাধিকার কর্মী রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক নেয়ামুল আহসান পামেল, সাংবাদিক উজ্জ্বল কুমার চক্রবর্তী, আবু তাহের চৌধুরী, রেজাউল করিম রেজা, ছাত্রনেতা পরমানন্দ দাস প্রমুখ।
বক্তারা উল্লেখ করেন যে, গাইবান্ধা একটি কৃষিভিত্তিক এলাকা, যেখানে মানুষ হতদরিদ্র এবং নিম্ন আয়ের। তারা দারিদ্র্যের কারণে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। গাইবান্ধা জেলায় বর্তমানে শুধুমাত্র একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বিদ্যমান। সেই সরকারি হাসপাতালটি নিজেই একটি রোগীর মত। গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল, যা জেলার সর্বোচ্চ হাসপাতাল, সেখানে পর্যাপ্ত ডাক্তার, নার্স এবং ঔষধের অভাব রয়েছে। বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ জনগণ ভালোভাবে সেবা পাচ্ছে না। জরুরি অবস্থায় রোগীদের রংপুর বা বগুড়ায় যেতে হয়, যা নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং কষ্টসাধ্য। ফলে তারা উন্নত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এখানকার মানুষের দোড়গোড়ায় চিকিৎসা সেবা পৌঁছানোর জন্য একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এই অঞ্চলের মানুষের বহুদিনের একটি স্বপ্ন হলো মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা। বক্তারা গাইবান্ধায় আধুনিক হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধ করার এবং নতুন ভবন চালু করার আহ্বান জানান। এছাড়া, ডেংগু ও হাম প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান। জনগণের জনদুর্ভোগ কমাতে অবিলম্বে প্রিপেইড মিটার অপসারণের দাবি জানানো হয়। শেষে গাইবান্ধায় মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন