প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টি জানিয়েছে, তিনি (নেতানিয়াহু) আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প-এর একটি মন্তব্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছিল যে, নেতানিয়াহু আদৌ নির্বাচনে লড়বেন কি না। বুধবার (১০ জুন) এক বিবৃতিতে লিকুদ পার্টি বলেছে, ‘প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেবেন এবং ঈশ্বরের কৃপায় তিনি বিজয়ী হবেন।’ এর আগে এবিসি নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তিনি জানেন না নেতানিয়াহু আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কি না। ইসরাইলের পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি, তবে আগামী ২৭ অক্টোবরের মধ্যে নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এবিসি নিউজের সাংবাদিক জোনাথন কার্ল-এর এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টে বলেন, ট্রাম্প তাকে বলেছেন, নেতানিয়াহু নির্বাচনে দাঁড়াবেন কি না তিনি জানে না। ট্রাম্পের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি জানি না তিনি (নেতানিয়াহু) আদৌ নির্বাচনে লড়বেন কি না, তিনি অসাধারণ একটি রাজনৈতিক ক্যারিয়ার গড়েছেন। তিনি কি চালিয়ে যেতে চান? কারণ তিনি একজন যুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী। খুব শিগগিরই আমরা কোনো না কোনোভাবে এই যুদ্ধের সমাপ্তি দেখতে পাব।’ ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের হামলার পর ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরাইলের গণহত্যা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটি হবে ইসরাইলে প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ইসরাইলের ইতিহাসে সবচেয়ে ডানপন্থি জোটের নেতৃত্বে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে নেতানিয়াহু দেশব্যাপী ব্যাপক বিক্ষোভে সম্মুখীন হয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে নেতানিয়াহুকে একাধিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভ মোকাবিলা করতে হয়েছে। এছাড়া তিনি একাধিক দুর্নীতির মামলার মুখোমুখি। মঙ্গলবার প্রকাশিত ইসরাইল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউট-এর এক জরিপে দেখা গেছে, মোট ইসরাইলিদের ৬১ শতাংশ এবং ইহুদি ইসরাইলিদের ৫৭ শতাংশ মনে করেন, আসন্ন নির্বাচনে নেতানিয়াহুর প্রার্থী হওয়া উচিত নয়। তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, টাইমস অব ইসরাইল
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন