প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তের শূন্যরেখায় প্রায় ২৪ ঘণ্টা অবস্থানের পর ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মণকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে বিজিবি এবং বকশীগঞ্জ থানা-পুলিশ যৌথভাবে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মণকে বুঝিয়ে দেওয়া হয় তার ছোট ভাই ভবানী চন্দ্র বর্মণের কাছে।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন, জামালপুর ৩৫ বিজিবির ধানুয়া কামালপুর কম্পানির কমান্ডার বিল্লাল হোসেন এবং ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মণের পরিবারবর্গ।
এর আগে, সকালে বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মণকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়।
ভবানী চন্দ্র বর্মণ জানান, ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মণ (৬৮) প্রায় দুই মাস আগে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চান্দলাই গ্রাম থেকে নিখোঁজ হন।
পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার সন্ধান পাননি।
অন্যদিকে, বুধবার সকালে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ নম্বর পিলারের কাছে বিএসএফ সদস্যরা ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মণকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশ ইন করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বাধার কারণে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে, বৃহস্পতিবার শূন্যরেখা থেকে ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মণকে উদ্ধার করে থানায় সোপর্দ করে বিজিবি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে, তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন