প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানকে আরও জোরদার করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। গত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অন্তত ৪৮ জন ‘সন্ত্রাসী’ নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে দেশটির আন্ত বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
শুক্রবার আইএসপিআরের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বেলুচিস্তানের মাস্তুং, কোয়েটা, কালাত ও সিবি জেলায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে একাধিক গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনা করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।
দেশের সংবাদমাধ্যম
জানাচ্ছে, সর্বশেষ ৪৮ ঘণ্টার অভিযানে ৩৬ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে কোয়েটার শাবান এলাকায় সংঘর্ষে ২৬ জন, মাস্তুংয়ে ৬ জন, কালাতে দুজন এবং সিবির ভাগ এলাকায় একটি থানায় হামলার চেষ্টাকালে আরো দুজন নিহত হয়।
এর আগে, গত বুধবার বেলুচিস্তানের কালাত জেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এক অভিযানে ১২ জন সন্ত্রাসী নিহত হওয়ার খবর জানিয়েছিল আইএসপিআর।
সামরিক বাহিনী জানায়, এসব অভিযানে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) ধ্বংস করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এলাকাগুলোতে যদি কোনো সন্ত্রাসী অবশিষ্ট থাকে, তাদের নির্মূল করতে তল্লাশি ও নিরাপত্তা অভিযান অব্যাহত থাকবে। সন্ত্রাসবিরোধী এই অভিযান চালিয়ে যাবে নিরাপত্তা বাহিনী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো।
২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকে পাকিস্তানে, বিশেষ করে খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তান প্রদেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বৃদ্ধি ঘটেছে
সংঘাত ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালে পাকিস্তানে সহিংসতার প্রধান কেন্দ্র খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তান হবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানে সহিংসতায় নিহতদের প্রায় ৯৬ শতাংশই এই দুই প্রদেশে ঘটেছে। মোট নিহতদের মধ্যে ৬১ শতাংশের বেশি অর্থাৎ ৪৭৫ জন খাইবার পাখতুনখোয়ায় এবং ৩৪ শতাংশ অর্থাৎ ২৬৫ জন নিহত হয়েছে বেলুচিস্তানে। এছাড়া, সহিংসতার ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে খাইবার পাখতুনখোয়ায়, যেখানে ১৫১টি ঘটনা ঘটেছে, যা দেশজুড়ে মোট ঘটনার ৫৭ শতাংশ।
এরপর রয়েছে বেলুচিস্তান, যেখানে ৯৪টি ঘটনা বা ৩৫ শতাংশ ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রদেশ দুটিতে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কর্মকাণ্ডের ঘনত্বের বিষয়টি উঠে এসেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন