প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যবর্তী নির্বাচনে মূল্যস্ফীতির বিষয়টি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচনে নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। এর ফলে রিপাবলিকান পার্টি প্রতিনিধি পরিষদ, সিনেট এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য পরাজয়ের সম্মুখীন হয়েছে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) একটি জরিপে দেখা গেছে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটদানকারী প্রায় এক লাখ ভোটারের মধ্যে অধিকাংশই মনে করেন, ট্রাম্পের নীতিগুলি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি করছে।
গত ১২ মাসে যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) ৩ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ট্রাম্প যখন তার দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, তখন মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৩ শতাংশ।
ট্রাম্পের পূর্বসূরি, ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে মূল্যস্ফীতির জন্য দায়ী করার প্রচেষ্টা ভোটারদের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেনি।
এপি ভোটকাস্টের জরিপ অনুযায়ী, এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ভোটার মনে করেন, ট্রাম্পের নীতির ফলস্বরূপ মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, ২০২২ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরিচালিত একটি অনুরূপ জরিপে প্রায় অর্ধেক ভোটার বাইডেনের নীতিকে মূল্যস্ফীতির জন্য দায়ী করেছিলেন।
জরিপে আরও দেখা গেছে, এবারের নির্বাচনে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ভোটারদের প্রায় ৯০ শতাংশের কাছে জীবনযাত্রার ব্যয় ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ অথবা ‘বড় ধরনের বিবেচ্য বিষয়’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এই ভোটারদের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকায় প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের সমর্থন করেছেন।
সূত্র: আলজাজিরা
আরএ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন