প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, বিএনপি কখনোই কোনো দেশের দালালি করে না। বরং দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দলটি সব সময় আপসহীন অবস্থানে রয়েছে।
তিনি শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা বলেন। গত ১৮ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করেছে বলেই দেশ চীনের মতো উন্নয়নের পথে এগোতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন রাশেদ খান।
তিনি আরও বলেন, যারা বিএনপিকে ভারতের দালাল বলে অপপ্রচার চালাচ্ছেন, তারা বাস্তবতার কাছে ভুল প্রমাণিত হয়েছেন। বিএনপি যদি ভারতের দালালি করত, তাহলে সরকার প্রধান চীন সফরের আগে ভারত সফর করতেন।
রাশেদ খান বলেন, ‘ভারত আমাদের প্রতিবেশী ও বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র। আমরা ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক চাই। তবে সেই সম্পর্ক হবে পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে। কোনোরকম আধিপত্য বা দাদাগিরি বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না।’
তিনি সীমান্ত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বর্তমানে বিজিবি সীমান্তে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্তে দেশের স্বার্থ রক্ষায় তারা চোখে চোখ রেখে জবাব দিচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় আছে বলেই বিজিবি এত শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনা করার সময় রাশেদ খান বলেন, জামায়াত ও এনসিপির কিছু নেতা আজ সরকার পতনের হুমকি দিচ্ছেন। অথচ গত ১৭ বছর তারা নিজেদের দলীয় কার্যালয়ের তালাই খুলতে পারেননি। এখন তারা বড় বড় কথা বলছেন।
তিনি আরো বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহ সংসদে দুর্নীতির বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সরকারি বরাদ্দের বড় অংশ নিজের এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সেটি কি দুর্নীতির মধ্যে পড়ে না?
পুশ ইন ইস্যু নিয়ে রাশেদ খান বলেন, বিএনপি কোনো দেশের দালালি করে না, না ভারতের, না পাকিস্তানের। অথচ শিবিরের একজন কেন্দ্রীয় নেতা পাকিস্তানে গিয়ে লালগালিচা সংবর্ধনা নিয়ে দেশে ফিরে বিএনপিকে ভারতের দালাল বলছেন। তাহলে জনগণের কাছেই প্রশ্ন, আপনারা কি পাকিস্তানের দালাল?
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের পররাষ্ট্রনীতি হবে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে। প্রতিবেশীসহ সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা হলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন