প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের সেনাবাহিনী নতুনভাবে তৈরি অত্যাধুনিক আক্রমণাত্মক এবং প্রতিরক্ষামূলক সমরাস্ত্রের একটি বিশাল মজুদ গড়ে তুলেছে, এ তথ্য জানিয়েছেন দেশটির সেনামুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া। তিনি জানান, এসব অস্ত্রের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আকরামিনিয়া এ তথ্য প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্যের ভিত্তিতে ইরানি সংবাদমাধ্যম জানায়, সাম্প্রতিক ৪০ দিনের যুদ্ধে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম তৈরির কার্যক্রম একদিনের জন্যও বন্ধ হয়নি।
আকরামিনিয়া উল্লেখ করেন, যুদ্ধকালীন সময়ে দেশীয়ভাবে অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন অব্যাহত ছিল। পাশাপাশি নতুন অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করা হয়েছে এবং সেগুলো দ্রুত বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যুদ্ধের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে অস্ত্রের সক্ষমতা ও কার্যকারিতাও বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
ইরানি সেনামুখপাত্র আরও জানান, সাম্প্রতিক সংঘাতের মাধ্যমে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী প্রতিপক্ষের সক্ষমতা এবং মোতায়েনের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছে। এসব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সামরিক সক্ষমতা আরও জোরদার করা হচ্ছে।
এর আগে ইরানি সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও পুনর্গঠনের পাশাপাশি নতুন সরঞ্জামও বাহিনীতে যুক্ত করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধপ্রস্তুতি বজায় রাখার অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে আকরামিনিয়া জানিয়েছেন।
তবে ইরানের কাছে আধুনিক অস্ত্রের মজুদের প্রকৃত পরিমাণ বা এসব দাবির সামরিক সক্ষমতার ওপর বাস্তব প্রভাব স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তথ্যসূত্র: প্রেস টিভি, গালফ নিউজ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন