প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, ইউক্রেনে সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য নতুন করে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, নতুন সেনা নিয়োগ বা সামরিক সমাবেশের (মোবিলাইজেশন) পরিকল্পনা নিয়ে চলমান আলোচনা ইউক্রেনের ‘অপপ্রচার’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
এই মন্তব্যটি তিনি বৃহস্পতিবার ভ্লাদিভস্তকে অনুষ্ঠিত ইস্টার্ন ইকোনমিক ফোরামের একটি পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে করেছেন।
পুতিন আরও বলেন, বর্তমানে এমন কোনো পরিস্থিতি বিদ্যমান নেই, যার কারণে সেনা সমাবেশের প্রয়োজন হতে পারে। তিনি দাবি করেছেন, চলতি মাসের শেষের দিকে অনুষ্ঠিতব্য রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই ধরনের তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তার মতে, নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলার উদ্দেশ্যে ‘শত্রুপক্ষের অপপ্রচার অভিযান’ চলছে।
তিনি বলেন, আমাদের দেশের মানুষ স্বেচ্ছায় সেনাবাহিনীতে যোগদান করে এবং চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
তবে, পুতিনের এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে কিয়েভ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য আসেনি।
এর আগে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জুলাই মাসে বলেছিলেন, সম্মুখযুদ্ধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর মস্কো শরতে নতুন করে সেনা সমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
২০২২ সালে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে একের পর এক সামরিক ব্যর্থতার পর পুতিন সর্বশেষ রিজার্ভ সেনাদের ‘আংশিক মোবিলাইজেশন’ এর নির্দেশ দিয়েছিলেন।
ক্রেমলিন জানিয়েছিল, প্রায় ১৪ কোটি জনসংখ্যার রাশিয়ায় ওই নির্দেশের আওতায় ৩ লাখ মানুষ ছিলেন। এই সিদ্ধান্তটি ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং সামরিক বয়সী অনেক রুশ পুরুষ দেশ ছেড়ে চলে যান। সূত্র:
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন