প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পূর্ব ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩ জনে। এতে আরো ১৩০ জন গুরুতর আহত হয়েছে।
সড়ক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং বিভিন্ন স্থানে ভূমিধসের জন্য দুর্গম হয়ে পড়া দুর্ঘটনাকবলিত এলাকাগুলোতে উদ্ধার এবং ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
শনিবারের (১৫ আগস্ট) আঘাত হানা শক্তিশালী কম্পনে বিস্তীর্ণ এলাকা তছনছ হয়ে গেছে। এর ফলে বাড়িঘর ও স্থানীয় অবকাঠামো ধ্বংস হওয়াতে প্রায় ৫০০০ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হয়েছে। অনেক বাসিন্দার শরীরের হাড় ভেঙে যাওয়ার মতো গুরুতর জখম হয়েছে বলেও জানা গেছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (বিএনপিবি)-র তথ্য অনুযায়ী, সিক্কা অঞ্চল থেকেই মাত্র ৩৩০০ এর বেশি মানুষ স্থানীয় একটি স্টেডিয়ামে গিয়ে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছেন। ২০২২ সালে পশ্চিম জাভার ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর এটিই হলো দেশটির সবচেয়ে মারাত্মক ভূমিকম্প।
দেশটির মন্ত্রিপরিষদ সচিব টেডি ইন্দ্র বিজয়া জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে অনুসন্ধান ও ত্রাণ বিতরণে সহায়তার জন্য ৩৫০০ জনেরও বেশি সেনা এবং পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিএনপিবি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য অস্থায়ী তাঁবু, খাবার, সুপেয় পানি, তোশক, কম্বল, জেনারেটর ও স্বাস্থ্যবিধি সামগ্রী সহ বিপুল পরিমাণ জরুরি সরঞ্জাম পাঠিয়েছে।
ভূমিকম্পের ধাক্কায় মাউমেরে একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে সেটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মূল ভূমিকম্পের পর এলাকাটিতে প্রায় ১০০০ টি আফটারশক (পরবর্তী কম্পন) রেকর্ড করা হয়েছে। ঘন ঘন কম্পনের আশঙ্কায় পুরো অঞ্চলজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ নিখোঁজদের উদ্ধার, বাস্তুচ্যুতদের সহায়তা প্রদান এবং সামগ্রিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন