প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যে আয়োজিত ‘ডেঙ্গু ফ্রি ডিইউ ফটো হান্ট’ কর্মসূচির প্রচারণামূলক পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন আয়োজকেরা।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রক্টরের কাছে পৃথকভাবে স্মারকলিপি ও লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়। স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং এই কর্মসূচির সমন্বয়ক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬-এর অংশ হিসেবে ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি সিভিক ইনেটিয়েটিভ’-এর উদ্যোগে এক সপ্তাহব্যাপী এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। প্রচারণার স্বার্থে গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পোস্টার লাগানো হয়। কিন্তু পরদিন দেখা যায়, লাগানো পোস্টারগুলোর অধিকাংশই ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। আয়োজকেরা অভিযোগ করেছেন যে, এই ঘটনায় জনসচেতনতামূলক উদ্যোগের কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।
আয়োজকদের দাবি, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল, একাডেমিক ভবন ও আশপাশের এলাকায় সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করা এবং এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সচেতনতাবিষয়ক কর্মসূচি নির্বিঘ্নে পরিচালিত হওয়া প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পরিচালিত এ ধরনের উদ্যোগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ক্যাম্পাসকে পরিচ্ছন্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ঘটনার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে চার দফা দাবি জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের শনাক্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণ, সংশ্লিষ্ট এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা, ভবিষ্যতে প্রচারণাসামগ্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পোস্টার প্রদর্শনের স্থানগুলোতে নজরদারি ও প্রক্টরিয়াল টহল জোরদার করা।
এছাড়া উপাচার্যের কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে ডেঙ্গুর সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা ও জনস্বাস্থ্যবিষয়ক শিক্ষার্থী-নেতৃত্বাধীন কর্মসূচিগুলোর সঙ্গে প্রশাসনের সমন্বয় বৃদ্ধিরও আহ্বান জানান আয়োজকেরা। আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে পদক্ষেপ নেবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন