প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সহিংসতাকবলিত মেক্সিকোর সিনালোয়া রাজ্যের সাবেক গভর্নর রুবেন রোচা মোয়া সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে মাদকসংক্রান্ত অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ার পর আত্মগোপনে রয়েছেন- এমন অভিযোগ বৃহস্পতিবার তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি মে মাস পর্যন্ত ওই রাজ্যের গভর্নরের দায়িত্বে ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ গত এপ্রিলের শেষ বিভাগে রোচা মোয়া এবং আরও ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে। অভিযোগে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ মাদক সরবরাহের জন্য তারা কুখ্যাত ‘সিনালোয়া কার্টেলের’ সঙ্গে যোগসাজশ করেছেন। এর আগে কোনো দায়িত্বপালনরত মেক্সিকান রাজনীতিকের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশ্য অভিযোগ আনার ঘটনা এটিই প্রথম।
এই সংবাদটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
রোচা মোয়া বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘আমি সিনালোয়া রাজ্যের রাজধানী কুলিয়াকান শহরে নিজের বাড়িতেই আছি, কোথাও যাইনি। ফেডারেল এজেন্টরা আমাকে সুরক্ষা দিচ্ছেন না বা নজরদারিও করছেন না।’
সম্প্রতি কিছু অসমর্থিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য অভিযানে গ্রেফতার এড়াতে ফেডারেল নিরাপত্তা বাহিনী তাকে অন্য একটি স্থানে সরিয়ে নিয়েছে। তবে এ ধরনের কোনো অভিযানের পরিকল্পনার খবর জানা যায়নি।
রোচা মোয়া অভিযোগ করেছেন, তিনি ‘গণমাধ্যমের আক্রমণ’ এবং ‘চরম ডানপন্থীদের প্রচারিত ষড়যন্ত্রের’ শিকার হয়েছেন। ৭৭ বছর বয়সী এই রাজনীতিক মে মাসে গভর্নরের দায়িত্ব থেকে সাময়িক ছুটি নেন, তবে পদত্যাগ করেননি।
তিনি মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম এবং তার রাজনৈতিক পরামর্শদাতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাদোরের বামপন্থী দল মোরেনার সদস্য। শেইনবাউম এর আগে জানিয়ে ছিলেন, রোচা মোয়া ফেডারেল নিরাপত্তা সুরক্ষা ছাড়াই নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন। তিনি আরও বলেছেন, তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘প্রমাণ’ দিতে হবে।
সিনালোয়া কার্টেল মেক্সিকোর ছয়টি মাদক চক্রের একটি, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছেন। সিনালোয়া নামের এই রাজ্যটি দীর্ঘদিন ধরে দুই উত্তর আমেরিকান দেশ মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি উত্তেজনাপূর্ণ বিষয় হয়ে রয়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে মেক্সিকো ঘোষণা করেছে, ২০০৪ সালে সিনালোয়া কার্টেলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ইসমায়েল ‘এল মায়ো’ জাম্বাদাকে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রেফতার বিষয়ে এবং এতে মেক্সিকোর সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন