প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফ্রান্সের প্যারিসে ২০১৬ সালে বন্দুকধারীদের দ্বারা ডাকাতির শিকার হন আমেরিকার বিখ্যাত তারকা কিম কার্দাশিয়ান। প্যারিসের একটি আদালত সেই মামলার রায়ে তাকে প্রতীকীভাবে মাত্র ১ ইউরো ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেছে।
এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। কিম নিজে যে পরিমাণ ক্ষতিপূরণ চেয়েছিলেন, আদালত তাকে ঠিক ততটুকুই প্রদান করেছে।
গত বছর আদালত এই ডাকাতির ঘটনায় জড়িত আটজনকে দোষী সাব্যস্ত করে। সেসময় কিম এই ঘটনার অভিজ্ঞতাকে জীবনের ‘সবচেয়ে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। রায় ঘোষণার পর কিম কার্দাশিয়ান এবং ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা স্টাইলিস্ট সিমোন হারুচে ফরাসি বিচারব্যবস্থার প্রতি তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তারা যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এই ঘটনার ট্রমা আজও আমাদের মনে রয়ে গেছে। আজকের এই রায় টাকার অঙ্কের জন্য নয়, বরং এটি অপরাধের স্বীকৃতি এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার বিষয়। আদালত এবং যারা আমাদের পাশে ছিলেন, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আমরা এখন এই খারাপ সময় পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।’
যে হোটেলে (হোটেল ডি পুরতালেস) এই ঘটনা ঘটেছিল, সেখানকার একজন সাবেক রিসেপশনিস্টকে আদালত ১,০৯,৫১৬ ইউরো ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ২০১৬ সালের ফ্যাশন উইকের সময় কিমের ৬ মিলিয়ন ডলার মূল্যের গয়না চুরির ঘটনায় তিনি মারাত্মকভাবে ভয় পেয়েছিলেন এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে জানা যায়। কিমের আইনজীবী এই রায়কে একটি বড় জয় হিসেবে দেখছেন।
এ ছাড়া, স্টাইলিস্ট সিমোন হারুচে তার চাওয়া অনুযায়ী ১ ইউরো এবং হোটেল কর্তৃপক্ষ ৫০,০০০ ইউরো ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে।
যা ঘটেছিল সেদিন
২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে পুলিশের রূপ ধরে দুই ডাকাত কিম কার্দাশিয়ানের রুমে ঢুকে পড়ে। এরপর তাকে টেপ ও জিপ টাই দিয়ে বেঁধে তারা প্রায় ৬০ লাখ ডলারেরও বেশি মূল্যের গহনা ও হীরা লুট করে নিয়ে যায়।
এই ডাকাত দল ফ্রান্সে ‘লে পাপিস ব্রাক্যুর’ বা ‘দাদাদের ডাকাতি দল’ নামে পরিচিতি পায়। কারণ, বিচারের আওতায় আসা ছয়জনের বয়সই ছিল ৬০ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে। তবে আগে থেকেই হাজতবাস করায় দোষীদের কাউকেই আর নতুন করে জেলে যেতে হয়নি এবং তারা রায়ের বিরুদ্ধে আপিলও করেননি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন