প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর মিরপুরের পাঁচটি লেগুনা স্ট্যান্ড জোরপূর্বক দখল করার অভিযোগ উঠেছে। গাড়িপ্রতি ৩০০ টাকা চাঁদা দাবি করা হচ্ছে এবং মালিকদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। চাঁদাবাজী বন্ধ করা, হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা এবং স্ট্যান্ডগুলো দখলমুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে। বৃহত্তর মিরপুর লেগুনা মালিক-শ্রমিক ইউনিয়ন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, ডিএমপি কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের জরুরী হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।
শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) দ্বিতীয় তলার সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। লিখিত বক্তব্যে মো. ইয়াকুব আলী জানান, গত ৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অস্ত্র প্রদর্শন করে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে মিরপুর ১ নম্বর সেকশনের পাঁচটি লেগুনা স্ট্যান্ড নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় ঢাকা-১৪ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এস এ সিদ্দিক সাজ্জুর সমর্থক ও সহযোগী হিসেবে পরিচিত বিপ্লব, সোলেমান দেওয়ান, মহব্বত আলী, পাভেল ভূঁইয়া, তৈয়ব আলী, আলমগীর হোসেন, শামীম ও মজিবর রহমানসহ ৬০ থেকে ৭০ জন জড়িত বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সংগঠনের নেতারা জানান, লেগুনার মালিকদের কাছ থেকে প্রতিটি গাড়ির জন্য ৩০০ টাকা চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভয়ভীতি দেখানো ও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ ছাড়া লেগুনার মালিক ইয়াকুব আলী, নজরুল ইসলাম ও বাবুলের ওপর হামলার অভিযোগ করা হয়েছে। ইয়াকুব আলীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং তাঁর চিকিৎসাসংক্রান্ত কাগজপত্র ও মেডিকেল রিপোর্ট সংগঠনের কাছে আছে বলে জানানো হয়েছে।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, হামলার ঘটনার পর ইয়াকুব আলী দারুস সালাম থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে তাঁর অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি। তাঁরা তদন্তের দাবি জানান এবং কোনো পুলিশ সদস্যের গাফিলতি প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে পাঁচটি স্ট্যান্ড দখলের অভিযোগ তদন্ত, ভিডিও ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য যাচাই, হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ এবং স্ট্যান্ডগুলো দখলমুক্ত করার দাবি জানানো হয়। বক্তারা রাজনৈতিক পরিচয় যেন তদন্তে প্রভাব না ফেলে, সে আহ্বান জানান। তাঁদের দাবি, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য প্রমাণ তাঁদের কাছে রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মো. ইয়াকুব আলী, মো. নজরুল ইসলাম, মো. সাইদুল শেখ, আলামিন ও ফিরোজসহ সংগঠনের অন্য সদস্যরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন