প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার ঘটনায় শাস্তির মুখে পড়েছেন পর্তুগিজ ফুটবল তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশন (এফপিএফ) তাকে ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা এবং ২৫৫ ইউরো জরিমানা করেছে।
গত মাসে উয়েফা নেশন্স লিগ চলাকালীন কোচের সঙ্গে বিরোধের কারণে জাতীয় দলের ক্যাম্প ত্যাগ করার জন্য এই শাস্তি প্রদান করা হয়েছে।
মার্কিন ক্রীড়ামাধ্যম ইএসপিএনের রিপোর্ট অনুযায়ী, ৪১ বছর বয়সী রোনালদো জাতীয় দলের কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে খেলার পর্যাপ্ত সুযোগ না পাওয়ার কারণে বিরোধে জড়ান। এই বিরোধের ফলস্বরূপ তিনি পর্তুগাল দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান।
দল ত্যাগ করার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিবৃতিতে কোচের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তোলেন রোনালদো। তিনি দাবি করেন, জেসুস তাকে দেওয়া কথা পালন করেননি।
ডিসিপ্লিনারি কাউন্সিল জানায়, রোনালদো ইচ্ছাকৃতভাবে ফেডারেশনের শৃঙ্খলাবিধি লঙ্ঘন করেছেন। তবে ফেডারেশনের বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি, এই নিষেধাজ্ঞা কোন কোন ম্যাচ বা কার্যক্রমের ওপর প্রযোজ্য হবে কিংবা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার অধীনে ইতোমধ্যেই পার করা সময়টুকু এই ৩০ দিনের শাস্তির হিসাব থেকে বাদ যাবে কি না।
শাস্তির বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে রোনালদো জানান, পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশন যে শাস্তিই দিক, তিনি তা মেনে নেবেন। একই সঙ্গে জাতীয় দলের হয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এই তারকা।
আগামী নভেম্বরে উয়েফা নেশন্স লিগে ডেনমার্ক ও ওয়েলসের বিরুদ্ধে দুটি ম্যাচ খেলবে পর্তুগাল। ইএসপিএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ম্যাচগুলোতে খেলার জন্য রোনালদোর যোগ্যতা থাকবে।
এদিকে, পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি পেদ্রো প্রোয়েনসা রোনালদোকে এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা করছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, কোচ জেসুসের সঙ্গে রোনালদোর বিরোধ মিটে যাবে এবং তিনি আবারও জাতীয় দলে ফিরবেন।
রোনালদোর গুরুত্ব তুলে ধরে প্রোয়েনসা বলেন, ‘তিনি আমাদের অধিনায়ক। আমাদের অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়।’ সূত্র: ইসপিএন
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন