প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় দূর্ঘাপুর-শক্তিয়ারখলা ১০০ মিটার সড়ক পানিতে ডুবে গেছে। সম্প্রতি বৃহস্পতিবার তোলা হয়েছে ছবিটি। -কালের কণ্ঠ
টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে পানি বাড়তে শুরু করেছে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার নদ-নদীতে। এই পরিবর্তনের ফলে পানি বাড়ছে উপজেলার খড়চার হাওরসহ বিভিন্ন হাওরেও।
গতকাল বুধবার ও আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) টানা দুই দিন ধরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে হাওরপারের বাসিন্দা, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। তবে, এখনো পর্যন্ত কোনো গ্রাম প্লাবিত হয়নি বলে জানা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে যে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি যাদুকাটা নদী দিয়ে প্রবল বেগে ভাটির দিকে নামছে। এতে যার ফলে, উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের শক্তিয়াখলা (দুর্গাপুর) এলাকার ১০০ মিটার ও তাহিরপুর উপজেলার আনোয়ারপুর সড়ক পানিতে ডুবে গেছে।
এতে সড়কটি দিয়ে যানবাহন ও মানুষের চলাচলে বিভিন্ন ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছেন যে, সুনামগঞ্জে চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ ২৬৫ মিলি বৃষ্টিপাত হয়েছে। সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার দশমিক ০৫৬ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে ৪ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে।
জেলার বিশম্ভরপুর উপজেলা শক্তিয়ারখলা পয়েন্ট দিয়ে পানি বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ২৭ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন যে, পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইমদাদুল হক মন্তব্য করেছেন, টানা বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। কারণ আগামী ৭২ ঘণ্টা বৃষ্টি হওয়া পূর্বাভাস রয়েছে। এতে নিম্নাঞ্চলে স্বল্প মেয়াদে বন্যা হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন