প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গোপালগঞ্জে আদালত চলাকালের সময়ে বিচারকের ছোঁড়া পেপারওয়েটের আঘাতে সাবিহা সুলতানা নামে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর মাথা ফেটে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হন। বিচারকের এই অপ্রত্যাশিত আচরণে আইনজীবীদের মধ্যে গভীর ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরবেলা এই ঘটনা ঘটে যখন আদালতে বিচারক মো. সুজন মিয়া আদালত-২ এর বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন। এছাড়া, তথ্যে জানা যায় যে, আদালত চলাকালীন সময়ে পিছনের দিকে বিচারপ্রত্যাশীরা আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন। এ সময় বিচারক মো. সুজন মিয়া বিরক্ত হয়ে একটি কাঁচের পেপারওয়েট ছুঁড়ে মারেন। পেপারওয়েটটির আঘাতে সাবিহা সুলতানার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দ্রুত ভর্তি করা হয়।
কিছুক্ষণ পর আইনজীবীদের মধ্যে ক্ষোভ স্পষ্ট হতে থাকে। আইনজীবীরা এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন। আহত সাবিহা সুলতানা এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বলেন, “একজন বিচারক এমন কাজ করতে পারেন না। আমি এই ঘটনার বিচার দাবি করছি।”
এ ব্যাপারে জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জুলকদর রহমান গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বিচারকের আচরণকে অনাকাঙ্ক্ষিত হিসেবে বর্ণনা করেন। জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জিপি অ্যাডভোকেট এম এ আলম সেলিম আইনজীবীদের ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে বলেন, “একজন বিচারক এমন আচরণ করতে পারেন না। এ ঘটনার তদন্ত করে বিচারকের শাস্তির দাবি জানাই।”
অপরদিকে, অভিযুক্ত বিচারক মো. সুজন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলে তিনি ফোন ধরেননি এবং হোয়ার্টস অ্যাপেও কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন