প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ককটেল’ সিনেমায় নারী চরিত্রগুলোর উপস্থাপনাকে বর্তমানে কিছুটা পশ্চাৎপদ মনে করছেন অভিনেতা সাইফ আলি খান। বিশেষ করে, একজন নারীকে প্রচলিত অর্থে ‘ভালো’ এবং অন্যজনকে ‘খারাপ’ হিসেবে উপস্থাপন করার প্রবণতাকে তিনি নিজের ভুল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
সম্প্রতি ‘গালফ নিউজ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাইফ ‘ককটেল’ সিনেমা নিয়ে তার উপলব্ধির কথা তুলে ধরেন। এ বিষয়ে ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদন তথ্য দেয়। সিনেমাটির গল্পে নারী চরিত্রগুলোর মধ্যে যে বৈপরীত্য তৈরি করা হয়েছিল, তা বর্তমান সময়ের দৃষ্টিতে প্রশ্নের মুখে পড়ে।
হোমি আদাজানিয়া পরিচালিত ‘ককটেল’ সিনেমায় সাইফ আলি খানের সঙ্গে দীপিকা পাড়ুকোন ও ডায়ানা পেন্টি অভিনয় করেন। দীপিকা চরিত্রে ভেরোনিকা হিসেবে অভিনয় করেন, যিনি স্বাধীনচেতা, প্রাণবন্ত ও পার্টিপ্রিয়। অন্যদিকে, ডায়ানা পেন্টির মীরা চরিত্রটি ছিল শান্ত, সংযত এবং তুলনামূলকভাবে ঘরোয়া।
সিনেমাটির কাহিনীতে ভেরোনিকাকে বেপরোয়া ও সমস্যাসংকুল নারী হিসেবে এবং মীরাকে আদর্শ ও গ্রহণযোগ্য নারী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। সাইফের মতে, এই ধরনের চরিত্রায়ন নারীদের নিয়ে প্রচলিত সামাজিক ধারণাকেই শক্তিশালী করে।
অভিনেতার বক্তব্য অনুযায়ী, সিনেমাটি নির্মাণের সময় বিষয়টি এভাবে ভাবা হয়নি। তবে সময়ের সঙ্গে তার দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে তার মনে হচ্ছে, ভেরোনিকার মতো চরিত্রকে শুধুমাত্র নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা এবং মীরাকে ‘ভালো মেয়ে’র প্রতীক হিসেবে দেখানো যথেষ্ট প্রগতিশীল ছিল না।
২০১২ সালে মুক্তির পর ‘ককটেল’ দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। সিনেমাটিতে সাইফের পাশাপাশি দীপিকা পাড়ুকোন ও ডায়ানা পেন্টির অভিনয়ও প্রশংসিত হয়। বিশেষ করে, দীপিকার ভেরোনিকা চরিত্রটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম আলোচিত চরিত্র হয়ে ওঠে।
এদিকে, ‘ককটেল’-এর দ্বিতীয় কিস্তি নির্মাণের খবরও ইতিমধ্যে আলোচনায় এসেছে। তবে নতুন সিনেমায় আগের চরিত্রগুলো কীভাবে উপস্থাপন করা হবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন