প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
১৯৯৬ সালে গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি নবায়ন প্রসঙ্গে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় বিহারের স্বার্থকে গুরুত্ব দেবে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম
এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর গত ২৮ আগস্ট জনতা দলের (ইউনাইটেড) সংসদ সদস্য সঞ্জয় ঝাকে লিখিত চিঠিতে এই তথ্য জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরে, অর্থাৎ আগামী ৩১ ডিসেম্বর শেষ হতে যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, সঞ্জয় ঝা ভারত সরকারের কাছে চুক্তিটি নবায়ন না করার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এটি বিহারের ওপর ‘নেতিবাচক প্রভাব’ ফেলছে।
চিঠিতে জয়শঙ্কর উল্লেখ করেন, চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার জন্য জলশক্তি মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি বলেন, "গঙ্গা চুক্তি নিয়ে আপনার উদ্বেগ আমরা পুরোপুরি বুঝতে পারছি।" জল শক্তি মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে এই আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে ব্যাপক পরিসরে মতবিনিময়ের জন্য আলোচনা হয়েছে।
এছাড়াও, তিনি জানান, ২০২৩ সালের ২২ আগস্ট ও ৩০ অক্টোবর এবং ২০২৪ সালের ১৫ মার্চ ও ৩১ মে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বিহার সরকারের একজন অনুমোদিত প্রতিনিধিও অংশগ্রহণ করেছিলেন। চুক্তি নবায়নের বিষয়ে জয়শঙ্কর বলেন, ‘এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে সরকার যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।’
চিঠির জবাবে সঞ্জয় ঝা আশা প্রকাশ করেন যে, চুক্তির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ক্ষেত্রে ভারত সরকার বিহারের স্বার্থকে পূর্ণাঙ্গ ও ন্যায্যভাবে বিবেচনা করবে। তিনি উল্লেখ করেন, বিহার কারো করুণা চাইছে না। "আমাদের নিজস্ব বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নে যা প্রমাণিত হয়েছে, আমরা শুধু তার ভিত্তিতেই দাবি জানাচ্ছি, যেন আগামী ৩০ বছরের জন্য রাজ্যের ১৩ কোটি মানুষকে খাবার পানি, সেচ এবং শিল্পকারখানার পানি সংকটে পড়তে না হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন