প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাটিতে একটি ছোট্ট উজ্জ্বল হলুদ বিন্দু দেখে খনন শুরু করেন এক শৌখিন অনুসন্ধানকারী। কয়েক দিনের অনুসন্ধানের পর, অস্ট্রেলিয়ার ওই নাগরিকের হাতে আসে প্রায় ১২০০ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণের খণ্ড, যার বাজার মূল্য অন্তত দেড় লাখ মার্কিন ডলার।
বিশেষজ্ঞদের হিসাব অনুযায়ী, শুধুমাত্র ওজনের ভিত্তিতে এর মূল্য ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। যদি এটি ব্যক্তিগত সংগ্রাহকের কাছে বিক্রি করা হয়, তাহলে দাম ২ লাখ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।
বাংলাদেশি মুদ্রায় দেড় লাখ ডলার সমান প্রায় ১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। আর ১ লাখ ৬০ হাজার ডলার সমান প্রায় ১ কোটি ৯৮ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। সেই সঙ্গে ২ লাখ ডলার সমান প্রায় ২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।
অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের বরাতে এনডিটিভি জানায়, নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে টিবুবুরার কাছে মাউন্ট স্টুয়ার্ট স্টেশনে স্বর্ণের সন্ধান করছিলেন ওই ব্যক্তি। কয়েক দিন ধরে খনন করার সময় তিনি পুরোনো পেরেক, ঘোড়ার খুরের লোহার অংশ ও ব্যবহৃত সিসার গুলির মতো মূল্যহীন জিনিস পেয়ে ছিলেন।
এর মধ্যেই মাটিতে একটি ক্ষীণ হলুদ আভা দেখতে পান তিনি। আশপাশের মাটি সরানোর পর বেরিয়ে আসে কোয়ার্টজ পাথর মেশানো আলুর আকারের স্বর্ণের খণ্ডটি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্যক্তি জানান, ধাতু শনাক্তকারী যন্ত্রে প্রথমে খুব জোরালো সংকেত পাওয়া যায়নি। তবে প্রায় ১০০ মিলিমিটার গভীরে যাওয়ার পর যন্ত্রটি তীব্র সংকেত দিতে শুরু করে। গর্তের প্রথম বা দ্বিতীয়বার মাটি সরানোর সময়েই তিনি হলুদ বিন্দুটি দেখতে পান।
‘টিবুবুরা স্পাড’ নামে পরিচিত স্বর্ণের খণ্ডটির মোট ওজন প্রায় ১ দশমিক ২ কেজি। এতে রয়েছে প্রায় ৯৪০ গ্রাম বিশুদ্ধ স্বর্ণ।
খনন করে স্বর্ণের খণ্ডটি তুলে আনার দৃশ্য ভিডিওতে ধারণ করা হয়েছে। মূল্যবান এই আবিষ্কারটি অনুসন্ধানকারীর উচ্ছ্বাসও ভিডিওতে ধরা পড়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন